বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বরিশাল আসছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম বরিশাল নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিল ও অনলাইন প্রেসক্লাবের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত জিয়া প্রজন্মদলের ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন, মামুনুর রহমান জয় মামুন খান মঠবাড়িয়ায় ৮ হাজার জাল টাকাসহ আটক ১ বরিশালে ট্রাকচাপায় নারী নিহত, ট্রাকসহ চালক আটক বাবুগঞ্জে ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বিতর্কিতদের দ্বারা বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি গঠনে ত্যাগীরা বঞ্চিত; তৃণমূল কর্মীদের ক্ষোভ ভোলায় দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশের ভোলায় অটোরিকশা-ট্রলি সংঘর্ষে নিহত ১ আগৈলঝাড়ায় পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
অতিরিক্ত পিল খেলে ক্ষতি হতে পারে আপনার আগত, সন্তানের

অতিরিক্ত পিল খেলে ক্ষতি হতে পারে আপনার আগত, সন্তানের

বেশির ভাগ মেয়েই জন্মনিয়ন্ত্রন পিল খেয়ে থাকে। জন্মনিয়ন্ত্রনের জন্য পিল খাওয়া মেয়েদের কাছে একটি সাধারন ব্যাপার, তাছাড়া মাসিক ঠিক করার জন্য ও অনেক সময় মেয়েরা পিল খায়। কিন্তু এই পিল সম্পর্কে মানুষের ধারণা খুবই কম। একজন মেয়ের জন্য পিল কখনোই ভাল কিছু না বরং একটা মেয়েকে ধিরে ধিরে শেষ করতে এই পিলই যথেষ্ট।

ইমার্জেন্সি পিল যে গর্ভ জাতের পক্ষে মোটেই নিরাপদ নয়, তা মেনে নিচ্ছেন স্ত্রীরোগ চিকিৎসকরা ও বিশেষজ্ঞরা। তারা জানায়, সন্তানধারণ রুখতে সাধারণ পিলের থেকে ২১ গুণ বেশি ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন থাকে ইমার্জেন্সি পিলে। ফলে ডিম্বাশয়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়। যা ডিম্বাশয়ের স্বাভাবিক কাজ আটকে দেয়, ক্ষতিগ্রস্ত করে ডিম্বাণুকে। ইমার্জেন্সি পিল সম্পূর্ণ বিপদজনক এটি মোটেও নিরাপদ নয় বলে তাদের দাবি।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিতত্ত্ব বিভাগের ডাউন সিনড্রোম সংক্রান্ত এক গবেষণায় জানা গেছে, অতিরিক্ত পিলের ব্যবহারে বাড়ছে সন্তানের ডাউন সিনড্রোম।

অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কের পরে সন্তানধারণ এড়াতে যখন-তখন ইমার্জেন্সি পিলের ব্যবহার বাড়াচ্ছে নারীদের বিপদ যা আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের (সন্তানের) উপর প্রভাব পড়ছে।

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানবিষয়ক গবেষণাপত্র ‘আমেরিকান জার্নাল অব এপিডেমিওলজি’তে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণা করে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, অতিরিক্ত ইমার্জেন্সি পিলের ব্যবহারে মায়ের জিনগত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। কারণ, বারবার ইমার্জেন্সি পিল ব্যবহারের ফলে ডিম্বাশয়ে নানা প্রতিক্রিয়া হতে শুরু করে। যার কারণে জিনগত পরিবর্তন হয় আর তার প্রভাব সরাসরি পড়ে গর্ভজাতের উপরে। ফলে তার ক্রোমোজমে ত্রুটি দেখা দেয়।
বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এ ধরনের সন্তানের দেহের তুলনায় মাথা, কান এবং ঘাড় ছোট হয়। বুদ্ধির বিকাশ হয় অনেক দেরিতে।

এই গবেষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক সুজয় ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন যে, সন্তানের ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্তের কারণ হিসেবে বাবা-মায়ের জিনগত ত্রুটিকেই ধরে নেওয়া হয়েছে। একই পরিবারের মধ্যে বিবাহের রীতির জেরেই পরবর্তী প্রজন্মকে ভুগতে হয়, এটাই ছিল প্রতিষ্ঠিত তথ্য।

নতুন গবেষণায় দেখা দিয়েছে, এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে মায়ের ইমার্জেন্সি পিল কিংবা তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহারের জেরেও সন্তানের জিনগত ত্রুটি তৈরি হতে পারে।

সূত্র : আনন্দবাজার।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 ajkercrimetimes.com

Design and Developed By Sarjan Faraby