ঢাকাMonday , 24 August 2026
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে মা ও শিশু উৎসব অনুষ্ঠিত

Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
৬৭

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালের উদ্যোগে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টায় হাসপাতালের কনসালটেশন জোনে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা. আলতাফ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শতাধিক মা ও শিশু অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে গাইনি ও শিশু বিশেষজ্ঞরা মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, পরিচর্যা, পুষ্টি ও সুস্থ বিকাশের বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেন।

বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বনামধন্য শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহমুদ হাসান খান, গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সাবরিনা সুধা ও ডা. কাজী তৌকিয়া রহমান (রূপা), এনেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ ডা. জিয়াউর রহমান এবং হাসপাতালের আরএমও ডা. ফারহানা সিদ্দিকা আশা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের প্রশাসনিক ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অফিসার-১ (প্রশাসন) আশিকুল হায়দার মানিক। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন সহকারী অফিসার (প্রশাসন) মুয়াজ আল খতিব। দুই শতাধিক মা ও শিশুর সক্রিয় উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন পরিবেশে পরিণত হয়।
বক্তারা বলেন, শৈশবে একটি শিশুর মনে যে মূল্যবোধ ও আচরণের ছাপ পড়ে, তা পরবর্তী জীবনে তার ব্যক্তিত্ব ও চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই নৈতিক ও আদর্শবান সন্তান গড়ে তুলতে বাবা-মাকে নিজেদের আচরণ ও জীবনাচরণের মাধ্যমে সন্তানের জন্য আদর্শ হতে হবে। হৃদয়ের শান্তি ও চোখের শীতলতাকারী সন্তান শুধু দোয়া ও আকাঙ্ক্ষার মাধ্যমে তৈরি হয় না। শিশুকে মোবাইল ও ফাস্টফুড থেকে দূরে রাখতে পরামর্শ দেওয়া হয়। সন্তানকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে বাবা-মাকে ব্যস্ততার মাঝেও তাদের জন্য পর্যাপ্ত ‘কোয়ালিটি টাইম’ দিতে হবে এবং তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে।
অনুষ্ঠানে কয়েকজন মা তাদের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন। তাদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শোনেন হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট। পরে তিনি মায়েদের বিভিন্ন বিষয় ও সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন এবং ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন আয়োজনের প্রশংসা করেন অংশগ্রহণকারী মা ও অভিভাবকরা। উৎসবে অংশ নেওয়া সকল মা ও শিশুর হাতে উপহার এবং খাবারের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়।