শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন

গার্লফ্রেন্ডের দিকে তাকানোয় দলের কর্মীকে ছুরি মারলেন ছাত্রলীগ নেতা

গার্লফ্রেন্ডের দিকে তাকানোয় দলের কর্মীকে ছুরি মারলেন ছাত্রলীগ নেতা

গার্লফ্রেন্ডের দিকে তাকানো নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সাতক্ষীরা কলেজ ছাত্রলীগের এ সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছে। তাদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ১৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আহতরা হলেন- সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন, উত্তর কাটিয়া এলাকার মির্জা কামরুজ্জামানের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা মির্জা ইব্রাহিম ও আরিয়ান আলিফ।

আটক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হলেন- নাহিদ হাসান, আদনান রাহিত, আশরাফুল, হাসান, ইমরান হোসেন, রায়হান, ফয়সাল, হারুন, ফারদিন খান, মুক্তাছির, শারুফ, আরিয়ান ও রোকসানা পারভীন। তারা সবাই কলেজ শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মেয়েলি কারণে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত। এ ঘটনায় ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

ছাত্রলীগ নেতা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিল ইব্রাহিম। এ সময় ছাত্রলীগ কর্মী সজীব তাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ইব্রাহিম বলে ওর (গার্লফ্রেন্ডের) দিকে এভাবে তাকাইলি কেন; বলেই সজীবকে মারপিট শুরু করে ইব্রাহিম। পরবর্তীতে সজীব আমার মোবাইল নম্বরে কল দিলে ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে তাদের থামানোর চেষ্টা করি। এ সময় আমার আমার পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেয় ইব্রাহিম ও তার গ্রুপের কর্মীরা।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক রোকসানা পারভীন বলেন সকাল ১০টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে আমার সঙ্গে মির্জা ইব্রাহিমের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। দুপুর ১টার দিকে ইব্রাহিম, আরিফ, আকিব, নোমান, আলামিন, আশাসহ ১০-১২ জন দাঁড়িয়ে ছিল। তখন আমিও সেখানে ছিলাম। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ সময় ইব্রাহিমের পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেয় উজ্জ্বল। পরে মির্জা ইব্রাহিমের গ্রুপের নেতাকর্মীরা উজ্জ্বল হোসেনের হাতে, পায়ে ও মাথায় ছুরিকাঘাত করে। ইব্রাহিম জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী আশিকুর রহমানের অনুসারী।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মির্জা ইব্রাহিম বলেন, ছাত্রলীগ নেতা উজ্জ্বলের সহযোগীদের কলেজ ক্যাম্পাসে গাঁজা খেতে নিষেধ করে দুজনকে কলেজ থেকে বের করে দেই। পরবর্তীতে উজ্জ্বল এসে আমাকে ছুরি মারে। উজ্জ্বল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদের অনুসারী।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 ajkercrimetimes.com

Design and Developed By Sarjan Faraby