মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বরিশালে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার বরগুনায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ বরিশালে ওয়ার্ডের বরাদ্দকৃত সারের ডিলার বিক্রির অভিযোগ, কৃষকের ভোগান্তি ২৬ শর্তে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দীতে গণসমাবেশের অনুমতি: ডিএমপি আগৈলঝাড়ায় প্রশাসনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারী জাল জব্দ আর্জেন্টিনা ব্রাজিল নিয়ে চাঁদপুরে তর্ক গড়ালো খুন পর্যন্ত। বরিশালে লঞ্চ চলাচল শুরু হওয়ায় সাধারন যাত্রীদের মাঝে ফিরেছে স্বস্তি পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বরিশালে আ’লীগের কর্মসূচি ঘোষণা বরিশালে জমি লিখে না দেওয়ায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রী গ্রেফতার সারাদেশে হাসপাতালে আরও ৩৬৬ ডেঙ্গুরোগী
জামায়াত নেতা আজহারের মৃত্যু পরোয়ানা কারাগারে

জামায়াত নেতা আজহারের মৃত্যু পরোয়ানা কারাগারে

জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যু পরোয়ানা কারাগারে পৌঁছেছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে তাকে দেয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেয়া রায় প্রকাশের পর তার মৃত্য পরোয়ানা কারাগারে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার সাঈদ আহমেদ সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে রোববার এ তথ্য জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বলেন, রায়ের অনুলিপি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছে।

তবে এটিএম আজহারের আইনজীবী শিশির মনির জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে রায় পেলে রিভিউ করব।

এর আগে খালাস চেয়ে আজহারুল ইসলামের করা আপিল আংশিক মঞ্জুর করে ৩১ অক্টোবর রায় ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।

ওইদিন আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ে ২ নম্বর, ৩ নম্বর এবং ৪ নম্বর অভিযোগে ফাঁসির দণ্ডাদেশ পেয়েছেন আজহার। এছাড়া ৫ নম্বর অভিযোগে অপহরণ, নির্যাতন, ধর্ষণসহ অমানবিক অপরাধের দায়ে ২৫ বছর ও ৬ নম্বর অভিযোগে নির্যাতনের দায়ে ৫ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

আপিল বিভাগ রায়ে ২, ৩, ৪ (সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে) ও ৬ নম্বর অভিযোগের দণ্ড বহাল রাখেন। আর ৫ নম্বর অভিযোগ থেকে খালাস দেন।

এর আগে গত ১০ জুলাই এ আপিলের ওপর শুনানি শেষে সিএভি (রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান) রাখেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ।

১৮ জুন আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন পেপারবুক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এ শুনানি শুরু হয়েছিল।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে ১২৫৬ ব্যক্তিকে গণহত্যা-হত্যা, ১৭ জনকে অপহরণ, একজনকে ধর্ষণ, ১৩ জনকে আটক, নির্যাতন ও গুরুতর জখম এবং শতশত বাড়ি-ঘরে লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগের মতো নয় ধরনের ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয় এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে।

এসব অভিযোগের মধ্যে এক নম্বর বাদে বাকি পাঁচটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে ট্রাইব্যুনালের রায়ে। সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির (ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) অভিযোগ ছাড়াও তিনি যে আলবদর কমান্ডার ছিলেন, তাও প্রমাণিত হয় বলে উল্লেখ করা হয় রায়ে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




আমাদের ভিজিটর

  • 207,614 জন ভিজিট করেছেন
© All rights reserved © 2019 ajkercrimetimes.com

Design and Developed By Sarjan Faraby