
নিজস্ব প্রতিবেদক :: ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ২ নং মগর ইউনিয়নের রায়াপুর সৈয়দ আব্দুল লতিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষকের সভাপতিত্বে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এবং গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে সভাপতি পদের জন্য একটি খসড়া তালিকা প্রস্তুত করা হয়। তালিকায় ক্রমানুসারে মো. অহিদুজ্জামান ওয়াহিদ, মো. হাফিজুর রহমান পারভেজ এবং জহিরুল ইসলাম খান বাপ্পীর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, গত ২১ মে ২ নং মগর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মো. জালাল দেওয়ানের পরামর্শ ও অনুমতিক্রমে নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদের জন্য এই তিনজনের নাম চূড়ান্ত করা হয়।
এ সময় প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীদের সর্বসম্মতিতে খসড়া কমিটি ও রেজুলেশনে স্বাক্ষর করেন সামাজিক,রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ছিলেন মো. নুরুজ্জামান চান মিয়া, আব্দুল মতিন, মো. অহিদুজ্জামান, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হালিম হাওলাদার, অসীম কুমার রায়, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি,বর্তমান ইউপি সদস্য মো. চুন্নু হাওলাদার,সাবেক সদস্য মো. নিজাম শিকদারসহ আরও অনেকে।
সভায় উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, স্থানীয় প্রভাবশালীদের নাম ব্যবহার করে একটি পক্ষ সভাপতি পদ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, “স্থানীয় ণ্যমান্য ব্যক্তিদের মতামত ও ঐকমত্যকে উপেক্ষা করে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে সভাপতি নিয়োগ দেওয়া হলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও উন্নয়নের ধারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”
তারা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের স্বার্থে সৎ, মেধাবী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করার জোর দাবি জানিয়েছে।

