ঢাকাSaturday , 26 September 2026
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঝালকাঠি এলজিইডির হিসাবরক্ষকের ৫ কোটি টাকার বাড়ি আয়ের উৎস? 

Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
৮১

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ঝালকাঠি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জেলা কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক মো. আব্দুর রশিদ হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এলজিইডির ঝালকাঠি জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মো. আব্দুর রশিদ হাওলাদার বর্তমানে হিসাবরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী হিসাবরক্ষক পদটি ১৩তম গ্রেডের আওতাভুক্ত। সরকারি চাকরির বেতন, ভাতা ও অন্যান্য বৈধ আয় বিবেচনায় তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিপুলমূল্যের বাড়িটির নির্মাণ ব্যয় ও অর্থের উৎস নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়িটির আনুমানিক নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৫ কোটি টাকা হতে পারে। তবে বাড়িটির প্রকৃত নির্মাণ ব্যয়, মালিকানা, অর্থের উৎস এবং নির্মাণকাজে ব্যবহৃত অর্থ তাঁর বৈধ ও ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না—এসব বিষয়ে এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাঁর আয়কর নথি, সম্পদ বিবরণী, ব্যাংক লেনদেন, জমি ও বাড়ির মালিকানা এবং নির্মাণ ব্যয়ের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।

তবে মো. আব্দুর রশিদ হাওলাদারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে বাড়িটির প্রকৃত মূল্য, মালিকানা ও অর্থের উৎস সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের নথি যাচাই করা হলে অভিযোগের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

ঝালকাঠি এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী মাহমুদুল্লাহ বলেন, রশিদ সাহেবের কি আছে বা কি নাই সেটা আমার দেখার দায়িত্ব না ডিপার্টমেন্ট আছে ডিপার্টমেন্ট দেখবে তিনি কি কাগজপত্র জমা দিয়েছেন আর কি কাগজপত্র জমা দেন নাই।

তিনি আরো বলেন, তার বাবার সম্পত্তি থাকতে পারে তার দুই ছেলে বিদেশ থাকে এখন কিভাবে কি সম্পদ করল সেটা আমার জানা নাই। আমার এই বিষয়ে বক্তব্য দেয়ার কিছু নেই।

এ বিষয়ে মো. আব্দুর রশিদ হাওলাদারের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করে জনমনে তৈরি হওয়া প্রশ্নের অবসান করা হোক।