বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বরিশাল আসছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম বরিশাল নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিল ও অনলাইন প্রেসক্লাবের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত জিয়া প্রজন্মদলের ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন, মামুনুর রহমান জয় মামুন খান মঠবাড়িয়ায় ৮ হাজার জাল টাকাসহ আটক ১ বরিশালে ট্রাকচাপায় নারী নিহত, ট্রাকসহ চালক আটক বাবুগঞ্জে ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বিতর্কিতদের দ্বারা বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি গঠনে ত্যাগীরা বঞ্চিত; তৃণমূল কর্মীদের ক্ষোভ ভোলায় দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশের ভোলায় অটোরিকশা-ট্রলি সংঘর্ষে নিহত ১ আগৈলঝাড়ায় পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
ফেব্রুয়ারির বেতন পায়নি ১২৬ প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক

ফেব্রুয়ারির বেতন পায়নি ১২৬ প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক

যশোরের শার্শায় প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ না থাকায় উপজেলা শিক্ষা অফিস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৪৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন দিতে পারেনি। বেতন না পাওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

এদিকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ আব্দুর রব গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বদলি হওয়ায় তার সেই পদটি গত ২১ দিন ধরে শূন্য রয়েছে। মূলত এ কারণেই উপজেলায় কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকার সব ধরনের বিলপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

অন্যদিকে সহকারী শিক্ষা অফিসার রাজমনি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্বে থাকলেও অধিদপ্তর থেকে আর্থিক ক্ষমতা না পাওয়ায় তিনি কোন বিল-ভাউচারে স্বাক্ষর করতে পারছেন না। ফলে শার্শা উপজেলা শিক্ষা অফিসে এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে।

জানা গেছে, শার্শা উপজেলায় ফেব্রুয়ারি মাসে ১২৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৪৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার বেতন বাবদ ২ কোটি ৪৬ লাখ ৯৬ হাজার ৬৩২ টাকা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার জন্য ২ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ না থাকায় মার্চ মাসের ৮ দিন পেরিয়ে গেলেও উপজেলা শিক্ষা অফিস এইসব শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতনের কোন কূলকিনারা করতে পারছেন না।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বদলি হয়ে যাওয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ আব্দুর রব শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ না চাওয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বেতনের জন্য কোন বরাদ্দ দেয়া হয়নি। তাই নতুন করে বরাদ্দ চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে চাহিদা পাঠাতে হবে। আর্থিক বরাদ্দ না থাকা ও শিক্ষা অফিসারের পদ শূন্য হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পেতে এখনো মাস খানেক সময় লেগে যেতে পারে।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা শিক্ষা অফিসের একজন সহকারী শিক্ষা অফিসার বলেন, শার্শার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতনপ্রাপ্তি নিয়ে যে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে তা সহসাই দূর হবে বলে মনে হয় না। আর এর প্রভাব পড়ছে সরকারি প্রশাসন যন্ত্রের উপর।

অনেকে বলছেন, সরকারের টাকা নেই তাই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতন দিতে পারছে না। আবার অনেকে বলছেন, ব্যাংকে টাকা নেই তাই এ অবস্থা। কিন্তু সব থেকে সত্য হলো শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতন না পাওয়া।

তবে শার্শা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা রাজমনি বলেন, ‘শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ চেয়ে পত্র দেয়া হয়েছে। অতি দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




আমাদের ভিজিটর

  • 208,344 জন ভিজিট করেছেন
© All rights reserved © 2019 ajkercrimetimes.com

Design and Developed By Sarjan Faraby