ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২ জুলাই ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাবুগঞ্জের মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমানকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

ক্রাইম টাইমস রিপোর্ট
জুলাই ২, ২০২৬ ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
৭৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালের ৬ নম্বর মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সিদ্দিকুর রহমানকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও বিতর্কিত করতে একটি মহল পরিকল্পিত অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান দাবি করেছেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করলেও কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। বরং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাধিক রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়েছেন।

চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান জানান, ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিএনপির আদর্শের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দীর্ঘদিন রাজনীতি করেছেন। ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের অনুরোধে তিনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন এবং বিপুল ভোটে বিজয়ী হন।

তিনি বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পর দল-মত নির্বিশেষে ইউনিয়নের উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। পরবর্তীতে এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুর হাত ধরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। তবে রাজনৈতিক এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

সিদ্দিকুর রহমানের ভাষ্য, “আমি কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতি করিনি। বরং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক কারণে আমার বিরুদ্ধে ৪২টি মামলা হয়েছে। তারপরও আজ আমাকে আওয়ামী লীগের লোক বলে প্রচার করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

তিনি আরও প্রশ্ন রেখে বলেন, “আজ যারা নিজেদের বড় বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন, তারা গত ১৭ বছর কোথায় ছিলেন? সেই সময় তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে চলাফেরা করেছেন। অথচ এখন তারাই আমাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় নেমেছেন।”

এদিকে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবি, চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছেন। তারা মনে করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই তাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, “চেয়ারম্যান সাহেবের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমরা সাধারণ মানুষ তার পাশে আছি। তিনি এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। মিথ্যা অপপ্রচার করে তাকে জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। সত্যের জয় হবেই।”

এলাকাবাসীর দাবি, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কোনো জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো অনাকাঙ্ক্ষিত। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান।