বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
সিএ রাজিবের অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন-প্রতিবাদ সমাবেশ উজিরপুর মডেল থানার এসআই মেহেদী বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার নির্বাচিত বরিশালে মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন মুক্তিযোদ্ধার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে ১ জনকে জেলহাজতে প্রেরন বরিশালের সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন নবাগত জেলা প্রশাসক ভাণ্ডারিয়ায় বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা ঝালকাঠির নবাগত জেলা প্রশাসককে প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা বানারীপাড়ার ছাত্রীকে ধর্ষণ, কোচিং সেন্টারের পরিচালক ও শিক্ষক গ্রেফতার ব‌রিশালে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ফার্মেসিকে জ‌রিমানা বরিশালের বাবুগঞ্জে ডাকাত আতঙ্কে মসজিদে মসজিদে মাইকিং
বাকি টাকার জন্য সুপারের পা ধরে কেঁদেও দাখিল পরীক্ষা দিতে পারল না ছাত্রী

বাকি টাকার জন্য সুপারের পা ধরে কেঁদেও দাখিল পরীক্ষা দিতে পারল না ছাত্রী

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় রেজিস্ট্রেশনের টাকা বাকি থাকায় চলমান দাখিল পরীক্ষার এক ছাত্রীর পরীক্ষার প্রবেশপত্র কেড়ে নিয়ে হল থেকে বের করে দিলেন মাদ্রাসার সুপার। এতে ওই ছাত্রীর জীবন থেকে নষ্ট হয়ে গেল মূল্যবান একটি বছর।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার দিনমজুর বাবা পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি অভিযোগ দেন। পরে জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন আগামী তিন দিনের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ভাণ্ডারিয়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলার নদমূলা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের দিনমজুর মনির কবিরাজের মেয়ে সারমিন আক্তার (পরীক্ষার রোল নং-২৯৪৪১০) এ বছরের দাখিল পরীক্ষার্থী। রেজিস্ট্রেশনের ২ হাজার ৮শ’ টাকার মধ্যে পরীক্ষার্থী সারমিন ২ হাজার টাকা জমা দেয়। বাকি টাকা পরীক্ষার ১২ দিন পর দিতে চাইলে তাকে প্রবেশপত্র দেয়া হয়।

কিন্তু নদমূলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. অলিউর রহমান পরীক্ষার ৪র্থদিন রোববার আরবি ২য়পত্রের পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থী সারমিনের প্রবেশপত্র কেড়ে নিয়ে বলেন বকেয়া টাকা দিতে পারিস নাই, তোর আর জীবনে পরীক্ষা দেয়ার প্রয়োজন নেই; সোজা বাড়ি চেলে যা।

ছাত্রী এ সময় সুপারের পা জড়িয়ে কান্নাকাটি করলেও সুপারের মন এতটুকু গলেনি। পরে ছাত্রী মর্মাহত হয়ে চোখের জল মুছতে মুছতে মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান খোকনের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। তিনিও পরীক্ষার্থীকে তিরস্কার ও ভৎসনা করে বাড়ি চলে যেতে বলে।

ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য মো. জিয়াউল হক সম্রাট বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, মাদ্রাসা সুপার টাকার লোভে এ ধরনের জঘন্য কাজ করায় তার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে দাবি জানাচ্ছি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




আমাদের ভিজিটর

  • 207,666 জন ভিজিট করেছেন
© All rights reserved © 2019 ajkercrimetimes.com

Design and Developed By Sarjan Faraby