বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন

বিষক্রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা

বিষক্রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা

অনেকে বিষ খাওয়া রোগীকে বমি করানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু রোগী যদি পেট্রল, কেরোসিন, এসিড বা ক্ষারজাতীয় কিছু খেয়ে থাকে, তাহলে রোগীকে বমি করানোর চেষ্টা করা উচিত নয়। ঘুমের বড়ি, এসপিরিন, কুইনাইন প্রভৃতি ওষুধ অতিরিক্ত খেলে তাকে গলায় আঙুল বা চামচের ভোঁতা প্রান্ত দিয়ে বমি করানো যেতে পারে। তবে বমি করানোর চেষ্টা রোগীর জন্য অনেক সময় বিপদ ডেকে আনে। এতে নিউমোনিয়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বমি করানোর ভালো পন্থা হলো এক গ্লাস পানি বা মিষ্টি তরলপদার্থ এক চা চামচ এপসম লবণ মিশিয়ে পান করানো। তবে রোগী অচেতন থাকলে কিছুতেই বমি করানো যাবে না। রোগীকে ভিনেগার কিংবা লেবুর রস পান করানো যাবে না।

কেউ বিষপান করলে কিংবা বিষক্রিয়া ঘটলে প্রথমেই উচিত তাকে ধারের কাছে হাসপাতালে পাঠানো। তবে তার আগে জানতে হবে, রোগী বিষ বলে যা খেয়েছে তা আসলে কী? সে বমি করেছে কি না?

মাথাব্যথা, মাথা ঝিমঝিম কিংবা তন্দ্রাভাব রয়েছে কি না? শ্বাসকষ্ট বা খিঁচুনির লক্ষণ রয়েছে কি না? রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস কিংবা বমিতে কোনো রাসায়নিক পদার্থের গন্ধ রয়েছে কি না? তার জ্ঞান আছ রয়েছে কি না?

এসব দ্রুত পরীক্ষা করার পর যা করণীয়, সচেতন রোগীর ক্ষেত্রে :

– রোগীর যদি জ্ঞান থাকে এবং খিঁচুনি না থাকে, তাহলে তার বিষকে পাতলা করার জন্য তাকে এক গ্লাস পানি বা দুধ পান করাতে হবে। যদি এতে তার বমি বমি ভাব আসে, তাহলে পান করানো বন্ধ করে দিতে হবে।

বিষ বলে সে যা খেয়েছে বা পান করেছে, তার মোড়ক বা পাত্রটি শনাক্তকরণের জন্য সংগ্রহ করতে হবে। যদি রোগী বমি করে থাকে, তাহলে তা পরীক্ষা করার জন্য সংগ্রহ করতে হবে।

রোগী যদি এরই মধ্যে অজ্ঞান হয়ে পড়ে, তাহলে তার শ্বাসনালি খোলা রাখতে হবে। প্রয়োজনে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে ফোন করুন অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর জন্য কিংবা রোগীকেই যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে পাঠান।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




আমাদের ভিজিটর

  • 208,018 জন ভিজিট করেছেন
© All rights reserved © 2019 ajkercrimetimes.com

Design and Developed By Sarjan Faraby