
নিজস্ব প্রতিবেদক :: ভিডিও ঝড় তুলেছে : আটক হতে পারে রাইসা আক্তার চাঁদ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন এক ভিডিও ঝড় তুলেছে। ফেসবুকে “রাইসা আক্তার (চাঁদ)” নামে একটি আইডি থেকে ১০ অক্টোবর আপলোড করা ৩১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। ভিডিওটির ভিউ ইতোমধ্যে ২৬ লাখের বেশি ছাড়িয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়—এক তরুণী, যার নাম রাইসা আক্তার চাঁদ, হাতে লাঠি নিয়ে এক তরুণকে (নাম জানা গেছে শ্রাবন) জনসম্মুখে বারবার “সরি” বলতে বাধ্য করছেন। মেয়েটির পরনে ছিল শার্ট ও প্যান্ট। ভিডিওতে রাইসাকে লাঠির প্রশংসা করতে এবং ইংরেজিতে বলা ক্ষমা প্রার্থনা প্রত্যাখ্যান করে বাংলা ভাষায় “সরি” বলতে বলতে দেখা যায়।
পরে রাইসা চাঁদ শ্রাবনকে নির্দিষ্ট বাক্যে ক্ষমা চাইতে বলেন—
“রাইসা আপু, আমি আপনাকে চিনতে পারিনি। সরি, আমার ভুল হইছে। নেক্সট টাইম এমন হবে না—আপনার সাথেও না, অন্য মেয়েদের সাথেও না।”
চারপাশে উপস্থিত জনতার ভিড়ের মাঝেই শ্রাবন পরিস্থিতি এড়াতে অনিচ্ছাসত্ত্বেও ক্ষমা চান। ঘটনাটি ঘটে বরিশাল নগরীর জনপ্রিয় আড্ডাস্থল ৩০ গোডাউন এলাকায়।
এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা–সমালোচনা। কেউ প্রশ্ন তুলছেন—“ছেলেটির দোষ কী ছিল?” আবার কেউ বলছেন, “মেয়েটি কি ইংরেজি বুঝতে পারেন না?”
একজন সামাজিক বিশ্লেষক সময় খবরকে বলেন—
“এটা নিঃসন্দেহে অনৈতিক আচরণ। কাউকে জোরপূর্বক জনসম্মুখে অপমান করা, বা লাঠি হাতে ভয় দেখিয়ে ‘সরি’ বলানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দেশে আইন ও আদালত আছে—নিজের হাতে বিচার নেওয়া সমাজে অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারে।”
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর শ্রাবনের পরিবার জানায়, এই ঘটনায় তাদের সামাজিক ও পারিবারিক মান–সম্মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সময় খবরের টিম রাইসা আক্তার চাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সফল হয়নি।
৩১ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ঘিরে এখনো চলছে নানামুখী বিতর্ক—এটা কি ন্যায়বিচারের দাবি, নাকি প্রকাশ্য অপমানের নতুন সংস্কৃতি?

