মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
সিএ রাজিবের অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন-প্রতিবাদ সমাবেশ উজিরপুর মডেল থানার এসআই মেহেদী বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার নির্বাচিত বরিশালে মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন মুক্তিযোদ্ধার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে ১ জনকে জেলহাজতে প্রেরন বরিশালের সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন নবাগত জেলা প্রশাসক ভাণ্ডারিয়ায় বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা ঝালকাঠির নবাগত জেলা প্রশাসককে প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা বানারীপাড়ার ছাত্রীকে ধর্ষণ, কোচিং সেন্টারের পরিচালক ও শিক্ষক গ্রেফতার ব‌রিশালে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ফার্মেসিকে জ‌রিমানা বরিশালের বাবুগঞ্জে ডাকাত আতঙ্কে মসজিদে মসজিদে মাইকিং
ভেঙে গেল শাবনূরের সংসার, জানা গেল কারণ

ভেঙে গেল শাবনূরের সংসার, জানা গেল কারণ

ঢাকাই সিনেমার একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূরের সংসার ভেঙে গেল। গেল মাসেই বিচ্ছেদ হয়ে যায় শাবনূর ও অনিক মাহমুদ হৃদয়ের দাম্পত্যজীবন।

সাত বছর আগে অনিক মাহমুদ হৃদয়ের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন শাবনূর। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়া গত ২৬ জানুয়ারি স্অনিককে তালাক দিয়েছেন শারমীন নাহিদ নূপুর ওরফে শাবনূর। নিজের সই করা নোটিশটি অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদের মাধ্যমে স্বামীকে পাঠিয়েছেন তিনি।

নোটিশের অনুলিপি অনিকের এলাকার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং কাজী অফিস বরাবরও পাঠানো হয়েছে। এই তালাক নোটিশে সাক্ষী রয়েছেন মো. নুরুল ইসলাম ও শামীম আহম্মদ নামে দুজন।

শাবনূর বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। স্বামীকে তালাকের নোটিশ দেওয়ার বিষয়ে জানতে তাঁর অস্ট্রেলিয়ার ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন তালাকের নোটিশ এবং হলফনামা প্রস্তুতকারী অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদ। তিনি এক গণমাধ্যমে বলেন, ‘গত ২৬ জানুয়ারি অনিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করেছেন শাবনূর। গত ৪ ফেব্রুয়ারি অনিকের উত্তরা এবং গাজীপুরের বাসার ঠিকানায় সেই নোটিশ পাঠানো হয়।

উত্তরার নোটিশটি ফেরত এলেও গাজীপুরের ঠিকানায় পাঠানো নোটিশ এখনো ফেরত আসেনি। নোটিশটি অনিক গ্রহণ না করলে এর মধ্যেই ফেরত আসত। তবে আইনগতভাবে তাঁদের এই তালাক কার্যকর হবে ৯০ দিন পর।’

২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিকের সঙ্গে শাবনূরের আংটি বদল হলেও ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তাঁরা। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তাদের কোলজুড়ে আসে আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তান।

তালাক নোটিশে শাবনূর বলেছেন, ‘আমার স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয় সন্তান এবং আমার যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন না। সে মাদকাসক্ত। অনেকবার মধ্যরাতে মদ্যপ অবস্থায় বাসায় এসে আমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমাদের ছেলের জন্মের পর থেকে সে আমার কাছ থেকে দূরে সরে থাকছে এবং অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছে।

একজন মুসলিম স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর স্বামী যে ব্যবহার করেন অনিক সেটা করছেন না, উল্টো নানাভাবে আমাকে নির্যাতন করে। এসব কারণে আমার জীবনে অশান্তি নেমে এসেছে। চেষ্টা করেও এসব থেকে তাকে ফেরাতে পারিনি। বরং আমার সন্তান এবং আমার ওপর নির্যাতন আরো বাড়তে থাকে। উপরোক্ত কারণগুলোর জন্য মনে হয়ে তার সঙ্গে আমার আর বসবাস করা সম্ভব নয় এবং আমি কখনো সুখী হতে পারব না।

তাই নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর জীবনের জন্য তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছেদ করতে চাই। মুসলিম আইন এবং শরিয়ত মোতাবেক আমি তাকে তালাক দিতে চাই। আজ থেকে সে আমার বৈধ স্বামী নয়, আমিও তার বৈধ স্ত্রী নই।’

উল্লেখ্য, বছর তিনেক আগেও মিডিয়ায় শাবনূর-অনিকের ছাড়াছাড়ির গুঞ্জন ওঠে। সে সময় অনিক মিডিয়াকে বলেছিলেন এমন কিছু হয়নি। তাঁরা একসঙ্গেই আছেন, ভালো আছেন। কিন্তু অনিকের নতুন পাসপোর্টে এখন স্ত্রীর নামের জায়গায় আয়েশা আক্তারের নাম দেওয়া আছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




আমাদের ভিজিটর

  • 207,666 জন ভিজিট করেছেন
© All rights reserved © 2019 ajkercrimetimes.com

Design and Developed By Sarjan Faraby