বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

সন্তান, স্ত্রীর পর চলে গেলেন দগ্ধ শহিদুলও

সন্তান, স্ত্রীর পর চলে গেলেন দগ্ধ শহিদুলও

রাজধানীর মগবাজারের দিলু রোডে আবাসিক ভবনে আগুনে দগ্ধ শহিদুল কিরমানী রনি (৪০) মারা গেছেন। এ নিয়ে তার পরিবারের দগ্ধ তিনজনই মারা গেলেন।

সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন বলেন, রনির শরীরের ৪৩ শতাংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল।

রনির স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসী (৩৪) রোববার সকালে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আর তাদের সন্তান এ কে এম রুশদির বৃহস্পতিবার মারা যায়।

রনি হাতিরঝিল পুলিশ প্লাজায় ‘ভিআইভিপি এস্টেট ম্যানেজমেন্ট’ নামে একটি কোম্পানির ফাইন্যান্স ম্যানেজার ছিলেন। আর তার স্ত্রী জান্নাত বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের অর্থ বিভাগে চাকরি করতেন। তাদের বাড়ি নরসিংদীর শিবপুরের ইটনায়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নিউ ইস্কাটনের দিলু রোডের একটি পাঁচতলা ভবনের গ্যারেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাদের শিশু সন্তান রুশদিসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। আগুনে সে সময় শহিদুল কিরমানীর ৪৩ শতাংশ ও তার স্ত্রী রুশদির মা জান্নাতুলের ৯৫ শতাংশ পুড়ে যায়। এরপর তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে জান্নাতুলের মৃত্যু হয়। আর তার স্বামী নিহত রুশদির বাবা শহিদুল কিরমানীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়া তাকে রোববার সকালে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পাঠানো হয়। সেখানে সোমবার ভোরে তিনি মারা যান।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




আমাদের ভিজিটর

  • 208,018 জন ভিজিট করেছেন
© All rights reserved © 2019 ajkercrimetimes.com

Design and Developed By Sarjan Faraby