নিজস্ব প্রতিবেদক :: চলতি মাসের ১ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ও সাড়ে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ। এ সময় মাদক-সংক্রান্ত ঘটনায় ২৩ টি মামলায় ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিএমপি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক কেনাবেচা ও সরবরাহের অভিযোগে মামলা হয়েছে। একই সময়ে আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় ৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ কেডিসি, রসুলপুর ও পলাশপুর এলাকা মাদকের হটস্পট হিসেবে পরিচিত। তবে নতুন করে কাউনিয়া, কাজীপাড়া, বৈদ্যপাড়া, কালুশাহ সড়ক, শিকদারপাড়া, কালু খান বাড়ি, রুপাতলী, লঞ্চঘাট ও ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডসহ বিভিন্ন এলাকায়ও মাদকের বিস্তার ঘটেছে।
স্থানীয়দের মতে, শুধু খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। মাদকের উৎস, সরবরাহকারী, পাইকারি বিক্রেতা ও অর্থের লেনদেনের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। একই সঙ্গে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত ভূমিকার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। তাদের প্রশ্ন, নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হলেও যদি একই এলাকাগুলোতে বারবার মাদকের অভিযোগ ওঠে, তাহলে সরবরাহের উৎস ও নেটওয়ার্ক শনাক্তে আরও গভীর নজরদারি প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার পলাশ কান্তি নাথ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে বিএমপির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসা কিংবা সেবনের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে।