
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট তিন সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ কার্যক্রম এবং এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া প্রচলিত বিধিবিধান অনুসরণ করেই সম্পন্ন করা হয়েছে। এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়। পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে এমপিওভুক্তির বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাগজপত্র মহাপরিচালকের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলেও প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, প্রকাশিত সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগের কারণে সংশ্লিষ্ট তিন শিক্ষকের সামাজিক মর্যাদা ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। যথাযথ তথ্য-উপাত্ত যাচাই না করে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের পেছনে কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, ডেইলি ক্রাইম টাইমস অনলাইন প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানের কথা জানানো হয়েছে। প্ল্যাটফর্মটির দাবি, তাদের অনুসন্ধানে প্রকাশিত সংবাদের অভিযোগগুলোর পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমসহ সবাইকে প্রকৃত তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি, শিক্ষক নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদকারী:
প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)
দিবাকর কাঠি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
ঝালকাঠি সদর, ঝালকাঠি।