নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বগুড়া ফাঁড়ির এটিএসআই রেজাউল ও এসআই সেলিমকে জড়িয়ে অপপ্রচার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে হেনস্থা
বরিশাল নগরীর বগুড়া পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এটিএসআই রেজাউল ও এসআই সেলিমকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি সংবাদকে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে। পত্রিকার আদলে তৈরি একটি ফেসবুক পেজ থেকে পুলিশের এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে হয়রানি, মোবাইল ফোন জোরপূর্বক নিয়ে নেওয়া এবং টাকা দাবির মতো গুরুতর অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে, বরিশালের সাংবাদিক মহালয় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নামে ফেসবুক পেজটি কোন সাংবাদিকদের নয় কুচক্রী মহল পেজটি পরিচালনা করে বরিশালের বিভিন্ন লোকের নামে মিথ্যে ও হয়রানে মূলক গুজব ছড়িয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে, এ ব্যাপারে নগরবাসীকে সচেতন থাহার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পুলিশের নামে প্রকাশিত ওই সংবাদে নাজিয়ান নামে এক ব্যক্তির অভিযোগের বরাত দিয়ে বলা হয়, তার কাছ থেকে কোনো মাদকদ্রব্য বা অবৈধ কিছু উদ্ধার না হলেও পুলিশ সদস্যরা তার মোবাইল ফোন নিয়ে টাকা দাবি করেছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য-প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রকাশিত হয়নি।
এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ যাচাই-বাছাই না করে সংবাদ আকারে প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করাই দায়িত্বশীলতার পরিচয়। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংবাদমাধ্যমের পরিচয় ব্যবহার করে যাচাইবিহীন তথ্য প্রচারের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।
এটিএসআই রেজাউল ও এসআই সেলিমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অপপ্রচারে জড়িতদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচারের আগে তার সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।