
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালে আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ “জুলাই যোদ্ধা” আরজু মৃধা, ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন
দেশব্যাপী সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন তরুণ রাজনৈতিক কর্মী আরজু মৃধা। তিনি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং বর্তমানে বরিশাল মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন
দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তার, মামলা, হামলা ও প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। তবুও বিভিন্ন আন্দোলন–সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ছিলেন।
৫ আগস্টের আগের উত্তাল সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিজ উদ্যোগে ১১টি হরতাল পালনে সমন্বয় করেন বলে সহকর্মীরা দাবি করেন।
গত ১৭ জুলাই একটি মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, সেদিন কঠোর নজরদারির মধ্যেও তিনি সামনের সারিতে থেকে কর্মসূচি পরিচালনা করছিলেন। পরে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্দোলনের সময় ঝুঁকি নেওয়া তৃণমূল কর্মীদের পরবর্তী সময়ে সাংগঠনিক মূল্যায়ন ও অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা না গেলে দলীয় কাঠামোর ভেতরে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে।
ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন নিয়ে দলীয় পর্যায়ে আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


