নিজস্ব প্রতিবেদক :: সাংবাদিক ও পুলিশ একে অপরের পরিপূরক : বিএমপি কমিশনার, আবু রায়হান মুহাম্মাদ সালেহ্
বরিশাল মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মাদ সালেহ্। তিনি বলেন, ‘আমরা পুলিশ ও সাংবাদিক একে অপরের পরিপূরক হিসেবে অবস্থান করব।
এতে পুলিশিং কার্যক্রম সফল হবে।’
শনিবার (৮ আগস্ট) বরিশালে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) নতুন কমিশনার এসব কথা বলেন।
এসময় বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) মো. আব্দুল হান্নান, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. ইমদাদ হুসাইন, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. শরফুদ্দীন, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) পলাশ কান্তি নাথ, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মিরাজ মাহমুদ, সিনিয়র সাংবাদিক নাসিমুল আলম, মুরাদ আহমেদ, আখতার ফারুক শাহীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভার শুরুতে বরিশাল মহানগরীতে বিদ্যমান সমস্যাগুলো এবং এর সমাধানে সাংবাদিকদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণ করেন বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্।
এসময় মহানগরীতে পুলিশিং ব্যবস্থা আরও জোরদার, মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ, অবৈধ অটোরিকশাসহ যানজট নিরসন, রাত্রিকালীন চুরি, ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশি টহল ব্যবস্থা জোরদারসহ বিভিন্ন পরামর্শ দেন সাংবাদিকরা।
বিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমি আপনাদের যে ভালোবাসা নিয়ে এখানে এসেছি সেই ভালোবাসার সর্বোচ্চ প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করব।
আপনাদের দেওয়া প্রত্যেকটি পয়েন্ট অনুযায়ী আমরা পদক্ষেপ নেব। এজন্য আপনাদের (সাংবাদিক) সহযোগিতা চাই। যে ভালোবাসা নিয়ে এসেছি সেই ভালোবাসা নিয়ে যেতে চাই। তবেই আমার প্রতি আপনাদের ভালোবাসা ও চাওয়াটা সার্থক হবে।’
তিনি বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে, সেটার কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। কিশোর গ্যাং, চুরি, ছিনতাই প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। বিশেষ করে রাত্রিকালীন টহল কার্যক্রম জোরদার করা হবে। যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে, নিরাপদে চলাচল করতে পারে। যানজট নিরসনে আরও যারা স্টেকহোল্ডার রয়েছে, বিশেষ করে সিটি করপোরেশন, বিআরটিএর সঙ্গে আলোচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’
এক্ষেত্রে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা চান বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মাদ সালেহ্।