শুক্রবার, ১৮ Jun ২০২১, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
পানি উন্নয়ন বোর্ড মেডিকেল সেন্টার উদ্বোধন করেন – পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বরিশালে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত করোনা ভাইরাস : লকডাউনে যুক্ত হলো নতুন যেসব নির্দেশনা ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির বরিশালে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ২ জনের মৃত্যু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্প উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পন করেছে – জাহিদ ফারুক শামীম বরিশালে শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে প্রশাসনকে নির্দেশ- সিইসি শাহান আরা বেগমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে চরমোনাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে মানববন্ধন করেন ইশা ছাত্র আন্দোলন চরমোনাই শাখা বিসিজি স্টেশান বরিশাল উদ্ধার করলো গাঁজা
ধর্ষণে রক্তাক্ত শিশুকে নিয়ে থানায় মা, ধর্ষকও সেখানে!

ধর্ষণে রক্তাক্ত শিশুকে নিয়ে থানায় মা, ধর্ষকও সেখানে!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ৯ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার ওই ঘটনার পর মেয়েটির মা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় থানায় ওই ধর্ষককে দেখে শিশুটি চিহ্নিত করে। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

ধর্ষণের শিকার ওই শিশু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ার চিকিৎসকের পরামর্শে স্থানীয় এক সাংবাদিক রক্ত দিয়েছেন।

আটক হওয়া ধর্ষক হলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার মৃত ঈমান আলীর ছেলে লিটন মিয়া (২৮)। পেশায় তিনি রিকশাচালক বলে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই শিশুটির পরিবার আশুগঞ্জের সোনারামপুর এলাকার একটি চাতালকলে কাজ করেন। তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার নীলক্ষি আফানিয়া গ্রামে।

বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে চাতালকলের পাশে শিশুটি খেলা করছিল। এ সময় শিশুটির বড় ভাইয়ের বন্ধু লিটন প্রলোভন দেখিয়ে চাতালকলের পাশে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করে। সেই দৃশ্য দেখে ফেলে ওই শিশুটির এক সহপাঠী। পরে সে তার পরিবারকে জানায়, শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় ধান ক্ষেতে পড়ে আছে।

এ খবর পেয়ে শিশুটির মা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় থানায় ঘোরাঘুরি করতে থাকা লিটনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম ওই শিশুকে রক্ত দেন।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদ জানান, শিশুটিকে থানায় আনার পর রক্তপাত দেখে আমরা দ্রুত তাকে সদর হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। পুলিশের কাছে আটক নিজের রিকশা ছাড়ানোর জন্য লিটনও তখন থানায় ছিল। ওই শিশুটি লিটনকে দেখে পুলিশকে জানালে আটক করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ। তার গোপন অঙ্গ দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। গাইনি কনসালটেন্টের তত্ত্বাবধানে শিশুটির চিকিৎসা চলছে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





আমাদের ভিজিটর

  • 69,510 জন ভিজিট করেছেন
© All rights reserved © 2019 ajkercrimetimes.com

Design and Developed By Sarjan Faraby