রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন

মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন পুশ, আইসিইউতে শিশু

মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন পুশ, আইসিইউতে শিশু

ময়মনসিংহের ভালুকায় মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন দেয়ায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে ওলি হাসান নামে দেড় বছর বয়সের এক শিশু। তবে বর্তমানে শিশুটি একটি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি আছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

আরো পড়ুন : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

আরো পড়ুন : সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু ২৪ মে, হল খুলবে ১৭ মে

আরো পড়ুন : উন্নীত হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের গ্রেড ও বেতন স্কেল

 

আরো পড়ুন : বরিশালের পায়রাবন্দর থেকে ঢাকা পর্যন্ত বৈদ্যুতিক রেললাইন নির্মাণ প্রস্তাব

 

ওলি হাসান উপজেলার বড় কাশর গ্রামের বাসিন্দা তাজ উদ্দিনের ছেলে। গত শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভালুকা ডিজিটাল হাসপাতালে ওলি হাসানকে মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন পুশ করার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই শিশুর বাবা তাজ উদ্দিন আহমেদ বাদী হয়ে ফার্মেসির ওষুধ বিক্রেতা আশিক ও ইনজেকশন পুশকারী নার্স আলপনাকে আসামি করে ভালুকা মডেল থানায় মামলা করেন।

 

আজ (সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে একটার দিকে ভালুকা থানার ওসি মাইন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বাচ্চা আগের চাইতে সুস্থ আছে। এ ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা হয়নি। তবে গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।

 

মামলার নথির বরাত দিয়ে ওসি আরও বলেন, পৌর সদরের ভালুকা ডিজিটাল হাসপাতালে ওলি হাসান নামে দেড় বছর বয়সের এক শিশুকে ইনজেকশন পুশ করায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। শিশুটি বর্তমানে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি রয়েছে।

 

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সন্ধ্যায়।

 

উপজেলার বড় কাশর গ্রামের তাজ উদ্দিনের ছেলে ওলি হাসান দুই দিন যাবত জ্বরে ভুগছিল। এমতাবস্তায় গত শনিবার বিকালে ওলিকে নিয়ে ভালুকা ডিজিটাল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মনিরুল ইসলাম খানের কাছে যান। তখন ডাক্তার ওলিকে দেখে একটি ইনজেকশন পুশের ব্যবস্থাপত্র দিয়ে তাদের নিজস্ব ফার্মেসি থেকে দুইটি ইনজেশন কিনে আনার জন্য বলেন।

 

পরে এর একটি ইনজেকশন ক্লিনিকের নিজস্ব নার্স আলপনাকে দিয়ে পুশ করে অপর একটি ইনজেশনের প্যাকেট দিয়ে দেয়া হয়। শিশুটিকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পথে অনুমানিক এক ঘণ্টার মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

 

 

শিশুটির মা তার হাতে থাকা ইনজেশনের প্যাকেটটির মেয়াদ লক্ষ্য করে দেখেন, গত ২০২০ সালের আগস্ট মাসে ইনজেকশনটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। অসুস্থ ওলিকে পুনরায় ওই ক্লিনিকে নিয়ে যান।

পরে সেখানে ওলির অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের আইসিইউতে সিট খালি না থাকায় ডেলটা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার পর ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ শিশুটির অবস্থা দেখে ক্লিনিকে ভর্তি করায়নি। সেখান থেকে ওলিকে ময়মনসিংহ কমিউনিটি বেসড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ভর্তি করা হয়।

 

এ বিষয়ে শিশু ওলির বাবা তাজ উদ্দিন বলেন, ওলি বর্তমানে আগের চাইতে কিছুটা সুস্থ আছে। তবে কোন হাসপাতালে শিশুটি চিকিৎসাধীন আছে তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও ফার্মেসির কর্মচারীদের সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

 

 

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন এবিএম মসিউল আলমের নম্বরে ফোন করলে তিনি লাইন কেটে দেন।

 

সূত্রঃ- জাগো নিউজ।

 

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





আমাদের ভিজিটর

  • 52,066 জন ভিজিট করেছেন
© All rights reserved © 2019 ajkercrimetimes.com

Design and Developed By Sarjan Faraby