শুক্রবার, ১৮ Jun ২০২১, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
পানি উন্নয়ন বোর্ড মেডিকেল সেন্টার উদ্বোধন করেন – পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বরিশালে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত করোনা ভাইরাস : লকডাউনে যুক্ত হলো নতুন যেসব নির্দেশনা ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির বরিশালে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ২ জনের মৃত্যু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্প উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পন করেছে – জাহিদ ফারুক শামীম বরিশালে শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে প্রশাসনকে নির্দেশ- সিইসি শাহান আরা বেগমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে চরমোনাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে মানববন্ধন করেন ইশা ছাত্র আন্দোলন চরমোনাই শাখা বিসিজি স্টেশান বরিশাল উদ্ধার করলো গাঁজা
ফিলিস্তিনে একসঙ্গে কোরআনে হাফেজ হলেন ৪ যমজ বোন

ফিলিস্তিনে একসঙ্গে কোরআনে হাফেজ হলেন ৪ যমজ বোন

আন্তজার্তিক ডেস্ক :: ফিলিস্তিনের জেরুসালেমে একসঙ্গে কোরআনের হাফেজ হল যমজ চার বোন। মেধা, স্মৃতিশক্তি ও পড়াশোনায় তারা অনন্য।

জেরুসালেমের নিকটস্থ উম্মে তুবা গ্রামে তাদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা।ওই যমজ চার বোনের নাম হচ্ছে—দিনা, দিমা, সুসান ও রাজান। তাদের বয়স এখন আঠারো।

 

 

একসঙ্গে তাদের পাঠশালায় যাওয়া ও পাশাপাশি মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তারা কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে।

 

ফিলিস্তিনে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক পরীক্ষায় এই চার বোন কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের স্কুলের নাম জেরুসালেম সুরবাহার আবু বকর সিদ্দিক গার্লস স্কুল। সেখান থেকে তারা এই বছর মাধ্যমিক স্কুল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে যথাক্রমে ৯৩.৯, ৯২.১, ৯১.৪ এবং ৯১.১ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

 

 

তাদের মা নাজাহ আল-শুনাইতি। তিনি জানান,আমার এই চার সন্তান যমজ হওয়ায় তাদের প্রায় সবকিছুতে মিল রয়েছে।তাদের পড়াশোনা ও জ্ঞানভিত্তিক তাড়নায় নিজেই অবাক হন নাজাহ।

 

 

চার হাফেজ সন্তানের জননী আরও বলেন, আমার এই চার সন্তানের মধ্যে অদ্ভুদ কিছু মিল রয়েছে। শৈশব থেকেই তারা একসঙ্গে থাকত, সব কাজ করত, অসুস্থ হতো, সুস্থ হতো, খেলাধুলা করত, একইরকম পোশাক পরতে চাইত।

 

 

চারজনেরই কালো রং পছন্দ এবং ‘কিব্বা’ ও ‘লাসগিনা’ তাদের প্রিয় খাবার। ফুটবল, বাস্কেটবল এবং ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যবাহী নৃত্য ‘দাবাকা’ও পছন্দ করে চারজন। বিশ্ব ভ্রমণে বের হওয়া চারজনের স্বপ্ন।

 

 

 

তাই তাদের গ্রামের মসজিদে পাঠানো হয় কোরআন হিফজ করতে। নামাজ পড়ার জন্য একই রকমের পোশাকও কিনে দেয়া হয়।

 

সংবাদমাধ্যমকে নাজাহ জানান, তারা যখন ছোট ছিল তখন তাদের চারজনকে ভিন্ন ভিন্নভাবে চিনতে কষ্ট হতো। তাই চিনতে সহজ হওয়ার জন্য তিনি তাদের হাতে আলাদা রঙের উলের সুতা পরিয়ে দিতাম।তবে এখন আর তাদের চিনতে কষ্ট হয় না। কণ্ঠস্বর শুনেই আলাদা আলাদাভাবে তাদের চেনা যায়।

 

তবে এই চার হাফেজের জন্মের সময় চিকিৎসকরা নাজাহকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, এই চার যমজের দুইজনকে গর্ভপাত করে ফেলতে। কিন্তু গর্ভের সপ্তম মাসে চার বোনই সুস্থ অবস্থায় জন্ম নেয়।

নাজাহ বলেন, ছয় সন্তানের পর এই চার মেয়ে তার জীবন ‘আলোকিত’ করেছে।

 

সূত্রঃ- নাজাহ।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





আমাদের ভিজিটর

  • 69,510 জন ভিজিট করেছেন
© All rights reserved © 2019 ajkercrimetimes.com

Design and Developed By Sarjan Faraby