কাউখালী প্রতিনিধি :: পিরোজপুরের কাউখালী সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা দাখিলায় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ১৮ হাজার টাকার খাজনার রশিদ পাইতে কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে ৪৫ হাজার টাকা। এমন অভিযোগ করেছেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোসনতারা গ্রামের ফোরকান সরদারের ছেলে মাসুদ সরদার।তিনি অভিযোগ করেন, একটি জমি ক্রয় করার জন্য হালনাগাদ খাজনার দাখিলা প্রয়োজন হলে হালনাগাদ দাখিলা নেওয়ার জন্য কাউখালী সদর তহশিলদার কামাল হোসেনের কাছে যান। এ সময় তহশিলদার তার কাছে চারটি খতিয়ানের বকেয়ার খাজনা সহ সর্বমোট খাজনা বাবদ ৫৯ হাজার টাকা দাবি করেন। জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য দাখিলা অতি জরুরী হয়ে পড়ায় নিরুপায় হয়ে দলিল লেখক মুকুলে আজমকে বিষয়টি জানান। সে...
৫৪
কাউখালী প্রতিনিধি :: পিরোজপুরের কাউখালী সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা দাখিলায় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ১৮ হাজার টাকার খাজনার রশিদ পাইতে কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে ৪৫ হাজার টাকা। এমন অভিযোগ করেছেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোসনতারা গ্রামের ফোরকান সরদারের ছেলে মাসুদ সরদার।তিনি অভিযোগ করেন, একটি জমি ক্রয় করার জন্য হালনাগাদ খাজনার দাখিলা প্রয়োজন হলে হালনাগাদ দাখিলা নেওয়ার জন্য কাউখালী সদর তহশিলদার কামাল হোসেনের কাছে যান। এ সময় তহশিলদার তার কাছে চারটি খতিয়ানের বকেয়ার খাজনা সহ সর্বমোট খাজনা বাবদ ৫৯ হাজার টাকা দাবি করেন। জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য দাখিলা অতি জরুরী হয়ে পড়ায় নিরুপায় হয়ে দলিল লেখক মুকুলে আজমকে বিষয়টি জানান। সে তহশিলদারের সাথে কথা বলে ৪৫ হাজার টাকায় দাখিলা দেওয়ার চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী মাসুদ নিজ হাতে দলিল লেখক এর কাছে ৪৫ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং তিনি খাজনার দাখিলা কেটে জমির দলিল রেজিস্ট্রির ব্যবস্থা করে দেন। পরবর্তী সময়ে দাখিলার রশিদ চাইলে দলিল লেখক দাখিলার রশিদ দিতে তালবাহানা শুরু করে।
বিষয়টি সন্দেহ হলে দীর্ঘদিন ঘোরাঘুরির পর গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঐ দাখিলা প্রদান করেন।যেখানে দেখা যায় যে ৪টি খতিয়ানে ১৮ হাজার ৪৯৮ টাকার রশিদ প্রদান করেন। বাকী ২৬ হাজার ৫০২ টাকার আত্মসাৎ করেন।
তার কাছে অতিরিক্ত টাকা ফেরত চাইলে দলিল লেখক জানান, টাকা আমি তহশিলদারকে দিয়েছি সে ফেরত দিলে আমি দিয়ে দেব।
এক সপ্তাহ তার কাছে ধরনা দেওয়ার পরে অভিযোগকারী মাসুদ নিরুপায় হয়ে ২ মার্চ পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের বরাবরের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের একদিন পর মঙ্গলবার দলিল লেখক মুকুলে আজম স্থানীয় ইউপি সদস্য আজম আলী খানকে সাথে নিয়ে মাসুদের কাছে অতিরিক্ত উৎকোচ নেওয়া ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত প্রদান করেন। অভিযোগকারী মাসুদ জানান, আমার কাছ থেকে যে অতিরিক্ত ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছিল তা আমাকে ফেরত দিয়েছে। এ বিষয়ে দলিল লেখক মুকুলে আজমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন একটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। বিষয়টি সমাধান হয়েছে। এ ব্যাপারে সদর ইউনিয়নের তহশিলদার কামাল হোসেন বলেন, অতিরিক্ত টাকার বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।