
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার, ১৯
বরিশালে গত একমাসে অন্তত ৫০ জন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরমধ্যে মে মাসে পৃথক অভিযানে ৩১ জনকে আটক করা হয়। সর্বশেষ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীতে পৃথক মিছিলের ঘটনায় অভিযান চালিয়ে সাবেক একাধিক কাউন্সিলরসহ ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নগরীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাকর্মীরা পৃথকভাবে কয়েকটি মিছিল বের করেন। ১৮ জুন বৃহস্পতিবার সকালে এবং ১৯ জুন শুক্রবার জুমার নামাজের পর নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এসব মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযানে নামে পুলিশ। শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯ জন সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জয়নুল আবেদিন এবং মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ তৌহিদুল ইসলাম, ১০নং চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান লিটন রাঢ়ী ও তার ভাই হাসান খন্দকার, যুবলীগ নেতা আতিকুর রহমান, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কালাম মোল্লাসহ আরো কয়েকজন। এদিকে ১০ নং ওয়ার্ড বান্দ রোডে ঝটিকা মিছিল করে অবিলম্বে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতারা। এসময় তারা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শ্লোগান তোলে।
এদেরকেও ভিডিও দেখে সনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন উল ইসলাম।
তিনি বলেন, “দেশকে অস্থিতিশীল করতে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাকর্মীরা গুপ্ত মিছিল করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছে। বেশিরভাগ ছবিতে তারা মাস্ক পড়ে থাকায় চিহ্নিত করতে কষ্ট হচ্ছে। তবে আমরা ওইসব ভিডিও পর্যালোচনা করে জড়িতদের গ্রেফতার করছি। এ অভিযান চলমান রয়েছে। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জয়নুল আবেদিন এবং মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ তৌহিদুল ইসলাম, ১০নং চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান লিটন রাঢ়ী ও তার ভাই হাসান খন্দকার, যুবলীগ নেতা আতিকুর রহমান, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কালাম মোল্লাসহ আরো কয়েকজন। এদিকে ১০ নং ওয়ার্ড বান্দ রোডে ঝটিকা মিছিল করে অবিলম্বে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতারা। এসময় তারা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শ্লোগান তোলে।
এদেরকেও ভিডিও দেখে সনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন উল ইসলাম।
তিনি বলেন, “দেশকে অস্থিতিশীল করতে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাকর্মীরা গুপ্ত মিছিল করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছে। বেশিরভাগ ছবিতে তারা মাস্ক পড়ে থাকায় চিহ্নিত করতে কষ্ট হচ্ছে। তবে আমরা ওইসব ভিডিও পর্যালোচনা করে জড়িতদের গ্রেফতার করছি। এ অভিযান চলমান রয়েছে। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে ১৭ জুনের ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মোট ৪৫ জনকে গ্রেফতার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। তাদের মধ্যে মাদক, পরোয়ানাভুক্ত ও বিভিন্ন মামলার আসামির পাশাপাশি আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মীও ছিলেন।
বিএমপির মিডিয়া সেলের পাঠানো ১৮ জুনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মহানগর পুলিশের চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৪০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে। এছাড়া গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ১৪ জন, বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশে ১৮ জন এবং বিভিন্ন নিয়মিত ও পূর্বের মামলায় আরও ৭ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাবেক কাউন্সিলর জয়নুল আবেদিন ছাড়াও বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জয়নুল আবেদিনের বিরুদ্ধে স্টিমারঘাট এলাকায় চাঁদাবাজি এবং আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে জমি দখল, একটি পরিবারকে মারধর করে বাড়ি থেকে উচ্ছেদসহ একাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে। এসব মামলার ভিত্তিতেই তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

