ঢাকারবিবার , ২৮ জুন ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বরিশালে মান্তা জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে২১ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি গঠন

ক্রাইম টাইমস রিপোর্ট
জুন ২৮, ২০২৬ ৮:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
৮১

নিজস্ব প্রতিবেদক :: দক্ষিণাঞ্চলের মান্তা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, মৌলিক সেবায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত, টেকসই জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি জোরদারের লক্ষ্যে বরিশালে ২১ সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) সকালে বরিশাল সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অংশীজন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহায়তায় এবং ইয়ুথনেট গ্লোবাল এর বাস্তবায়নাধীন ‘মান্তা কানেক্ট’ প্রকল্পের আওতায় ইয়ুথনেট গ্লোবাল এ সভার আয়োজন করে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাম্মৎ ফারিদা সুলতানা। তিনি বলেন, মান্তা জনগোষ্ঠীর অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের মূলধারার উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

ইয়ুথনেট গ্লোবালের সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান শুভর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা ও এনজিওর প্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা এবং মান্তা জনগোষ্ঠীর সর্দার ও কমিউনিটি নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনায় বক্তারা মান্তা জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ আবাসন, পরিচয়পত্র, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, কর্মসংস্থান এবং শিশুদের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা সামাজিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনার শিকার এই জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য।

নবগঠিত ২১ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা এবং মান্তা জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় জোরদার, নীতিগত পরামর্শ প্রদান, অধিকারভিত্তিক অ্যাডভোকেসি পরিচালনা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহায়ক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, এই উপদেষ্টা কমিটির মাধ্যমে মান্তা জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের সমস্যা ও চাহিদাগুলো আরও কার্যকরভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপিত হবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণে গতি সঞ্চার হবে।