
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালে অভিযান-গ্রেপ্তারের পরও থামেনি কেডিসিতে ফের জমজমাট মাদক ব্যবসা, নিলু-রাসেল দম্পতিকে ঘিরে অভিযোগ।
সরকার ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির মধ্যেও বরিশাল নগরীর কেডিসি এলাকায় ফের মাদক ব্যবসা বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে নিলুফা নিলু ও তার বর্তমান স্বামী রাসেল দম্পতির বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান চললেও একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, নিলুফা নিলু এর আগে মাদকসংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। সম্প্রতি গোয়েন্দা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে তার কাছ থেকে ৬২ কেজি গাঁজা উদ্ধারের দাবি করা হয় এবং এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই মামলায় প্রায় ১৫ দিন কারাভোগের পর জামিনে বের হয়ে নিলুফা নিলু আবারও মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তবে জামিনে মুক্তির পর পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগের স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন।
চুনোপুটিরা গ্রেপ্তার, মূল হোতারা অধরা?
এদিকে কেডিসি ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক মাদকবিরোধী অভিযানে বিভিন্ন পরিমাণ মাদকসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও স্থানীয়দের প্রশ্ন—মাদক ব্যবসার নেপথ্যে থাকা কথিত বড় কারবারিরা কেন বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছেন?
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অভিযানের পর কিছুদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পরবর্তীতে আবারও মাদকের সরবরাহ শুরু হয়। এতে এলাকায় মাদকাসক্তি, কিশোরদের বিপথগামিতা এবং অপরাধপ্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলছেন, শুধু ছোট পর্যায়ের মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। মাদকের উৎস, সরবরাহকারী ও অর্থের নেপথ্যের ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।

