
উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি :: বরিশালের উজিরপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী মোহরার মো. জসিম উদ্দিনের সম্পদ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা ও প্রশ্ন উঠেছে। চাকরিজীবনের আয়ের সঙ্গে তাঁর কথিত বিপুল সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১৭ সালে মোহরার পদে চাকরিতে যোগদানের পর কয়েক বছরের ব্যবধানে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, তাঁর মালিকানাধীন একটি আলিশান বাড়ি নির্মাণে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে। তবে বাড়িটির নির্মাণব্যয়, মালিকানা এবং সম্পদের প্রকৃত পরিমাণ সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো নথি এখনো পাওয়া যায়নি।
অভিযোগকারীদের দাবি, জসিম উদ্দিনের নিজের নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে কোনো জমি বা অন্যান্য স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট দলিল, ভূমি রেকর্ড ও সরকারি নথির মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। পাশাপাশি তাঁর বৈধ আয়ের উৎস, চাকরিজীবনের আয় এবং সম্পদ অর্জনের সময়কাল পর্যালোচনা করে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সম্পদের তথ্য যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আয়কর-সংক্রান্ত নথি পরীক্ষা করার দাবি উঠেছে। নথিপত্রে অসংগতি বা অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের বিষয়টিও বিবেচনায় আসতে পারে।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে মো. জসিম উদ্দিনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট জমির দলিল, খতিয়ান, নামজারি, বাড়ির মালিকানা, সম্পদ অর্জনের সময়কাল এবং আয়-ব্যয়ের নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। যাচাইযোগ্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে পরবর্তী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

