ঢাকাSaturday , 10 October 2026
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বরিশালে সাবেক স্বামীর মামলায় স্কুলশিক্ষিকা গ্রেপ্তার, এফআইআর হিসেবে অভিযোগ নিতে আদালতের নির্দেশ

Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
১০০

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল নগরীতে সাবেক স্বামীর দায়ের করা সাইবার মামলায় রওনক বিনতে নূর (৩৫) নামে এক স্কুলশিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা পুলিশ। সাবেক স্বামীর অভিযোগ, বিবাহবিচ্ছেদের পর ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও ও অন্যান্য ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে তাঁকে হয়রানি করা হচ্ছিল। এদিকে, অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে নগরীর কালিজিরা দুর্গাবাড়ি পোল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে রওনক বিনতে নূরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার বাদী মো. মিজানুর রহমান (৪০) অভিযোগ করেন, তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের পরও সাবেক স্ত্রী ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও ও অন্যান্য ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে তাঁকে বিভিন্নভাবে বিব্রত ও হয়রানি করে আসছিলেন। বিবাহবিচ্ছেদ এর পূর্বে তিনি পরকীয়াএয় আসক্ত হয়ে তার ব্যাক্তিগত নগ্ন ছবিকে ইউজ করে তাদের থেকে কাবিন নামা হিসেবে প্রচুর অর্থ দাবি করে তা উসুল করে, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিস-মীমাংসা হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি বলে তাঁর দাবি। এছাড়াও তিনি এই ছবি এবং ভিডিও আত্মীয় স্বজন এর মধ্যে প্রচার করে মানসিকভাবে হেনস্তা করে।

মিজানুর রহমান জানান, প্রতিকার চেয়ে চলতি বছর আদালতে মামলা করেন তিনি। তাঁর দাবি, মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় শনিবার তাঁর সাবেক স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আদালতের আদেশে যা বলা হয়েছে

বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরমিন জাহানের স্বাক্ষরিত আদেশপত্রে সাইবার পিটিশন মামলা নম্বর ১১৫/২০২৬ (বরিশাল) উল্লেখ রয়েছে। আদেশে বলা হয়, মামলার নথি পর্যালোচনায় অভিযোগে বর্ণিত ঘটনাস্থল বিএমপির বন্দর থানার আওতাধীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

আদেশপত্র অনুযায়ী, এর আগে মামলার নথি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছিল। পরে নথি ফেরত আসার পর আদালত বিষয়টি পুনরায় পর্যালোচনা করেন। এরপর ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৫৬(৩) ধারার আলোকে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করার জন্য বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট নথিপত্রও ওই কর্মকর্তার কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।