
বিনোদন ডেস্ক :: ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবি আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ, তৌসিফ মাহবুবের।
ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবি আন্দোলনে একাত্মতা তৌসিফ মাহবুবের ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন তৌসিফ মাহবুব। ছবি: সংগৃহীত
ভোলা থেকে বরিশাল যাতায়াতে সেতু নির্মাণসহ পাঁচ দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন ভোলা জেলার বাসিন্দারা। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে পূর্বঘোষিত ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি শুরুর পর মিছিল নিয়ে তারা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। এতে মোড়টির সবদিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
অবরোধ চলাকালে আন্দোলনকারীরা স্লোগান দেন- ‘সেতু চাই, ভোলা-বরিশাল সেতু চাই’, ‘দাবি মোদের একটাই’, ‘আমার গ্যাস তুমি নাও, বিনিময়ে কী দাও’-ইত্যাদি।
সেতু ছাড়াও তাদের দাবিতে রয়েছে-ভোলায় মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা, গ্যাসভিত্তিক শিল্পায়ন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং নদীভাঙন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণ।
ভোলার এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়েছেন ভোলার সন্তান ও জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব। আজ (২৯ নভেম্বর) দুপুরে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ভোলা–বরিশাল সেতু চাই’ আন্দোলনের সঙ্গে ভোলার সন্তান হিসেবে আমি একাত্মতা প্রকাশ করছি।
তৌসিফ বলেন, ভোলা প্রায় ২০ লাখ মানুষের একটি দ্বীপ জেলা, যার যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো জলযাননির্ভর। উন্নত চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যবস্থার অভাবও প্রকট। ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে আন্দোলনকারীরা ভোলার চরফ্যাশন থেকে হেঁটে পদ্মাসেতু পর্যন্ত যাত্রা করেন। পথে তেঁতুলিয়া নদী সাঁতরে পার হওয়ার সময় দুজন আহতও হন। পরে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে তারা ঢাকায় এসে আট দিন ধরে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
তিনি আরও জানান, আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পাঁচ দফা দাবি নিয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। একই সময়ে ভোলা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় মানববন্ধন, শহীদ মিনারে আলো প্রজ্বালন এবং গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর শাহবাগে গণসমাবেশে প্রায় ২০ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে দাবিগুলো আরও জোরালো হয়।
তৌসিফ মাহবুব বলেন, ‘ভোলা–বরিশাল সেতুসহ পাঁচ দফা যৌক্তিক দাবির প্রতি আমি সমর্থন জানাই। সরকারের প্রতি অনুরোধ-এই দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের পথ সুগম করুন।’
আন্দোলনে থাকা ভোলার এক গণমাধ্যমকর্মী জানান, সড়কপথে দেশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ না থাকায় ভোলার বিপুল গ্যাসসম্পদও দেশের অর্থনীতিতে পূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারছে না। সেতু হলে ভোলা আর বিচ্ছিন্ন থাকবে না-উন্নয়নের নতুন দুয়ার খুলবে।


