
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালের উজিরপুর উপজেলার দক্ষিণ সানুহার থেকে ভরসাকাঠি, কালিহাতা, রমজানকাঠি, আগরপুর, শরিকলসহ একাধিক রুটে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন। প্রায় দুই দশক আগে সড়কটি পিচ ঢালাই করার পর থেকে এ পথে মানুষের চলাচল বেড়ে গেলেও সড়ক প্রশস্ত না হওয়ায় ক্রমেই সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এ সড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, ইঞ্জিনচালিত ভ্যানসহ বিভিন্ন অবৈধ ও অপ্রশিক্ষিত চালকদের যানবাহন চলাচল করায় দুর্ঘটনা এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। সড়কটি প্রশস্তের তুলনায় যানবাহনের সংখ্যা বেশি হওয়ায় প্রায়ই ঘটছে প্রাণনাশী দুর্ঘটনা।
গত মঙ্গলবার ভরসাকাঠির অরুণ সরদারের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া কন্যা সড়ক পার হওয়ার সময় অতিরিক্ত গতির একটি ব্যাটারি চালিত অটোর ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়। অটোরিচালক শিশুটির উপর দিয়েই গাড়িটি চালিয়ে যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
এরপরের দিন বুধবার সন্ধ্যায় একই সড়কে ব্যাটারি চালিত অটোর ধাক্কায় সিরাজ হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। তার ডান পায়ের তিনটি স্থানে ভাঙন ধরা পড়ে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়দের অভিযোগ—সড়কের দুই পাশে মসজিদ, মাদরাসা, বসতভিটা থাকায় শিশুরা চলাচল করলে পরিবারগুলো সবসময় আতঙ্কে থাকে। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।
এমতাবস্থায় সড়কটি জরুরি ভিত্তিতে সড়কটি প্রশস্ত করা, অবৈধ যানবাহন বন্ধ করা এবং অতিরিক্ত গতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকার সচেতন মহল।
উজিরপুর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, গ্রামীণ সড়ক গুলি সাধারণত ৮ থেকে ১০ ফিটের বেশি হয় না আর বর্তমানে আমাদের হাতে কোন প্রকল্প নেই যদি প্রকল্প আসে তখন রাস্তা প্রশস্তকরণের বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব।


