নিজস্ব প্রতিবেদক :: ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি দখল করে ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয় নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে জেলার সভাপতি এস এম নজরুল হক নিলুর বিরুদ্ধে। জমির মালিক সরকারি জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল করে আইনি সহায়তা চেয়ে কল করা হলে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা থেকে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয়ে চলমান কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে গেলেও তা উপেক্ষা করে সে চলে যাওয়া মাত্র পুনরায় নির্মান কাজ করে। সোমবার সকালে নির্মাণকাজে বাধা দিলে তা উপেক্ষা করে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ঘটনা এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। প্রত্যক্ষ্যদর্শীরা ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি জবর দখল করে ওয়ার্কাস পার্টির বরিশাল জেলার সভাপতি পুলিশের নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে পুনবির্মানের বিষয়টি দেশের আইন শৃঙ্খলার উপর নির্ভরয়ায় প্রশ্নবিদ্ধ করেছে জনমনে৷ তাদের ভাষ্যমতে দিনেদুপুরে প্রকাশ্যে আইনকে অবমাননা করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির উপর রাজনৈতিক কার্যালয় নির্মান কতটুকু যুক্তিসম্মত এনিয়েও প্রশ্নে কানাঘুষা চলছে স্থায়ীদের মাঝে।
অভিযোগ সূত্রে আরো জানা গেছে, বরিশাল নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি দখল করে ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয় নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে নির্মাণকাজে বাধা দিলে তা উপেক্ষা করে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ঘটনা এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। রেকর্ডিও জমির মালিক সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নিজামুল হক নিজামের ছেলে তামিম হাসান জানান, জোরপূর্বক কার্যালয় নির্মাণ শুরু হলে তিনি সরকারি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে অভিযোগ করেন। খবর পেয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ এসআই মাহফুজ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কি কে বিষয় টি অবহিত করে ওয়ার্কাস পার্টির বরিশাল জেলার সভাপতি এস এম নজরুল হক নিলুকে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়। তবে পুলিশের স্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এস এম নজরুল হক নিলু নির্মাণকাজ চালু রাখেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এস এম নজরুল হক নিলু দাবি করেন, কোনো জমি দখল করা হয়নি। কার্যালয়ের আসবাবপত্র মালামাল ঠিকঠাকের জন্য আগে থেকেই থাকা একটি ঘর মেরামত করা হয়েছে মাত্র। তবে জমির মালিকের নির্দেশনা ছাড়া কিভাবেই বা ভাড়াটিয়া হয়ে ঘর মেরামত করার কাজ এই নেতা শুরু করে তা বোধগম্য হচ্ছে না এলাকাবাসীর।অন্যদিকে জমির মালিক পক্ষের অভিযোগ, এটি সম্পূর্ণ বেআইনি দখল। তামিম হাসান বলেন, এটি আমাদের নিজস্ব জমি। কোনো অনুমতি ছাড়াই জোর করে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে। পুলিশের নির্দেশ মানা না হওয়ায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের নির্দেশ অমান্যের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি উঠেছে।