
নিউজ ডেস্ক :: ঘরের দরজা ভেঙে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ।
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় গভীর রাতে ঘরের দরজা ভেঙে এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে ওই ছাত্রীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভাষানচরের বাসিন্দা ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে (১৫) বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রতিবেশী কয়েকজন যুবক মেয়েটির মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে তুলে নিয়ে যায়। পার্শ্ববর্তী একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরে অসুস্থ অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে বাড়ির পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। স্থানীয়রা রাতেই তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে তাকে ভর্তি করে। পরে শুক্রবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর খালা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে বাড়িতে আমার দুই ভাগনি ছিল। ওর মা ও অন্যরা বাড়িতে ছিল না। দুই ভাগনি দুই রুমে ছিল। রাত ১টার দিকে প্রতিবেশী এক যুবক জানালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে দরজা খুলে দিলে আরও কয়েক যুবক ঘরে প্রবেশ করে। এরপর জোরপূর্বক আমার ভাগনিকে তারা তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা আমার ভাগনির ওপর নির্যাতন করে, যখন জ্ঞান হারিয়ে ফেলে তখন তারা তাকে অসুস্থ অবস্থায় বাড়ির পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে। পরে সেখান থেকে শুক্রবার উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। কয়েকজনকে আমার ভাগনি চিনেছে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ জাগো নিউজকে বলেন, ভুক্তভোগীরা থানায় এসেছে, তারা আমার সামনে বসা। তাদের কথা শুনছি। অভিযোগ দায়েরের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে।

