
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আগামীকাল শনিবার (১৮ জুলাই) বরিশালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিভাগীয় জনসমাবেশ। নগরীর কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত এ সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম), জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শাইখুল হাদীস আল্লামা মামুনুল হক, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন।
এছাড়া ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতারাও সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।
সমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বাস্তবায়ন কমিটি। কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযয্ম হোসাইন হেলালের নেতৃত্বে একাধিক প্রস্তুতি সভা ও সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগর আমির মাওলানা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও বরিশাল জেলা আমির মাওলানা আব্দুল জব্বার, অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা ফখরুদ্দিন খান রাজী, অধ্যাপক শাহ্ আলমসহ অন্যান্য নেতারা।
আয়োজকরা জানান, আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান শনিবার সকালে সড়কপথে বরিশালে পৌঁছাবেন। তাকে স্বাগত জানাতে নগরীর প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড় থেকে নথুল্লাবাদ, হাতেম আলী চৌমাথা, আমতলা মোড় এবং সার্কিট হাউসগামী সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দলীয় নেতাকর্মীরা অবস্থান নেবেন।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতাকর্মীদের জন্য পরিবহন ও নৌযানের পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসা সহায়তা, নিরাপত্তা, পয়োনিষ্কাশন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা যাতে নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটি।

