ঢাকারবিবার , ৭ জুন ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বরিশালে ছিনতাইয়ের ঘটনায় কে.এম.সি হাসপাতাল ও পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ক্রাইম টাইমস রিপোর্ট
জুন ৭, ২০২৬ ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
৪০৮

নিজস্ব প্রতিবেদক :: মায়ের চিকিৎসার জন্য বরগুনা থেকে বরিশালে এসে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার ঘটনায় কেএমসি নামের একটি বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা এবং অভিযুক্তদের পক্ষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৯ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বরিশাল নগরীর বাজার রোড এলাকায় অবস্থিত কে.এম.সি নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মায়ের চিকিৎসার জন্য যান মোসা. নিলুফা ইয়াসমিন। এ সময় হাসপাতালের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী তার গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন।

ঘটনার পর ভুক্তভোগীর ভাই মো. মিজানুর রহমান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে সহযোগিতা ও বিচার কামনা করলেও তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের দাবি,অভিযোগের পরও প্রত্যাশিত আইনি সহায়তা পাওয়া যায়নি। কোতোয়ালী মডেল থানার সাবেক ওসি মিজানুর রহমান ও আমানগঞ্জ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক এসআই আব্দুল কুদ্দুছ তদন্তে গড়িমসি এবং অভিযুক্তদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করেন। অভিযোগ রয়েছে অর্থের বিনিময়ে পুলিশ অভিযুক্তদের পক্ষে অবস্থান করেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় তারা আইজিপিসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের শরণাপন্ন হয়েছেন। সেই ঘটনায় ওসি মিজানের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এরপর নতুন করে গত ১লা জুন স্বাস্থ্য মন্ত্রী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।

মো. মিজানুর রহমান বলেন, “একজন রোগীর স্বজন হিসেবে হাসপাতালে গিয়ে যদি ছিনতাইয়ের শিকার হতে হয় এবং পরে বিচার চাইতেও হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা থাকবে না। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।