
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালে ‘ড্রাফট হাইওয়ে মাষ্টারপ্লান-২০৪০’র ওপর অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত।
বরিশাল অঞ্চলে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহায়তায় প্রণীত ‘ড্রাফট হাইওয়ে মাস্টারপ্ল্যান-২০৪০’র ওপর এক অংশীজন সভায় অংশগ্রহণকারীগণ অবিলম্বে বরিশাল-ফরিদপুর ও বরিশাল-পায়রা বন্দর-কুয়াকাটা জাতীয় মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে এ সভায় সড়ক অধিদপ্তরের বরিশাল সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাসুদ খান এবং বরিশাল সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও গণমাধ্যমকর্মীসহ সর্বস্তরের অংশীজন বক্তব্য রাখেন।
বরিশাল অঞ্চলে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহায়তায় প্রণীত ‘ড্রাফট হাইওয়ে মাস্টারপ্ল্যান-২০৪০’র ওপর এক অংশীজন সভায় অংশগ্রহণকারীগণ অবিলম্বে বরিশাল-ফরিদপুর ও বরিশাল-পায়রা বন্দর-কুয়াকাটা জাতীয় মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে এ সভায় সড়ক অধিদপ্তরের বরিশাল সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাসুদ খান এবং বরিশাল সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও গণমাধ্যমকর্মীসহ সর্বস্তরের অংশীজন বক্তব্য রাখেন।
সভায় কুয়াকাটা থেকে পটুয়াখালী-বরিশাল হয়ে রাজধানী ঢাকা ছাড়াও উত্তরবঙ্গের সড়ক যোগাযোগ সহজ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে অবিলম্বে দেশের ৮ নম্বর জাতীয় মহাসড়কটি সার্ভিস লেনসহ ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দেশের ৩টি উপকূলীয় বিভাগের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে ভোমরা স্থলবন্দর থেকে খুলনা-বরিশাল-ভোলা হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত মহাসড়কটিও ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবি জানানো হয়েছে। এ মহাসড়কের বরিশাল-ভোলা অংশে তেতুলিয়া নদীর ওপর সেতু না টানেল নির্মাণ পরিবেশসম্মত হবে সে বিষয়েও সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। কারণ তেতুলিয়া নদী ইলিশের বড় বিচরণস্থল। সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এ নদীতে অবকাঠামো নির্মাণের দাবি জানান অংশীজনেরা।

