ঢাকাFriday , 17 April 2026
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বরিশালে লোডশেডিং এ অতিষ্ঠ নগরবাসী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা

Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
২২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালে ২৪ ঘন্টায় চার ঘণ্টারও বেশি লোডশেডিং থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে নগরবাসী।

তবে বিদ্যুতের লোডশেডিং এর কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লাভের চেয়ে লোকসানের বোঝাই ভারী হচ্ছে বলে দাবি করেন ব্যবসায়ীরা।

বরিশাল নগরীর রুপাতলিস্থ ৩৩ কেভি সাবস্টেশনের কন্ট্রোল রুম সুত্র জানিয়েছে, প্রতিদিন বরিশাল ও ঝালকাঠিতে বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ৯০ থেকে ৯৫ মেগাওয়াট। সেখানে পাওয়া যাচ্ছে ৪২ মেগাওয়াট। এ কারণে পিক আওয়ার ও অফপিক আওয়ারে ৪ ঘটারও বেশি লোডশেড দিতে হচ্ছে।
নগরীর কাউনিয়ার বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও নগরীর সার্কুলার রোডের বাসিন্দা সাদেক হোসেনসহ একাধিক নগরবাসী জানিয়েছেন, গরম বাড়ার সাথে সাথে বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। এই কারণে পরিবার পরিজন নিয়ে মারাত্মক সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে রাতে ঘুমের মধ্যে বিদ্যুৎ চলে গেলে সবচেয়ে বেশি সমস্যা পরতে হয় শিশুদের নিয়ে। আর বিদ্যুৎ না থাকলে কত সমস্যা সৃষ্টি হয় তা বলে শেষ করা যাবে না। এ সমস্যা থেকে পরিত্রান পেতে সরকারের নিকট দাবি জানিয়েছেন তারা।

নগরবাসীর চেয়েও বেশি সমস্যায় থাকা নগরীর চকবাজারের ব্যবসায়ী মৃনাল কান্তি সাহা ও মোহাম্মদ শাহিনসহ একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে সরকার থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে দোকান বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। ওই নির্দেশনা মোতাবেক ব্যবসায়ীরা তাদের কর্মকা- পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে তিন থেকে চারবার লোডশেডিং দেওয়া হয়। প্রতিবারে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ থাকে না। এ কারণে ক্রেতা ধরে রাখা যায় না। এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে প্রতিদিনের দোকানের খরচ তুলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আর এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ কবে পাওয়া যাবে তারও কোন সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

বরিশাল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র -১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মঞ্জুর কুমার স্বর্ণকার বলেন, তার আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ৭৮.৫ মেগাওয়াট। তাকে সরবরাহ করা হচ্ছে ৫০ মেগাওয়াট। এতে করে লোডশেডিং দিতে তারা বাধ্য হচ্ছেন।

বরিশাল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, তার আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ৩৯ মেগাওয়াট। তাকে সরবরাহ করা হচ্ছে ২১ মেগাওয়াট।

বরিশাল ৩৩ কেভি সাব স্টেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আখতারুজ্জামান পলাশ বলেন, চাহিদার অর্ধেক পরিমাণ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছে সংশ্লিষ্টরা।