ঢাকাSaturday , 3 October 2026
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্টিমারঘাট ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই মিহিরের নির্দেশে মাদকবিরোধী অভিযান গত এক মাসে আটক ১৪২, সাজা ৮২

Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল নগরীতে মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ি। ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মিহির চন্দ্র দাসের নির্দেশনায় গত এক মাসে মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ। এসব অভিযানে ৭৫০ গ্রাম গাঁজা ও একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধে মোট ১৪২ জনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকদ্রব্যের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত এক মাসে বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

 

অভিযান চলাকালে বিভিন্ন অপরাধে আটক ১৪২ জনের মধ্যে সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে ৮২ জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে মাদকসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে ফাঁড়ি পুলিশের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিশেষ করে নগরীর কেডিসি এলাকাকে মাদক নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দিয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মিহির চন্দ্র দাস। তার দাবি, ধারাবাহিক অভিযানের ফলে ওই এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

 

এসআই মিহির চন্দ দাস বলেন, “বরিশাল নগরীর কেডিসি এলাকায় মাদকের যে শক্ত অবস্থান ছিল, প্রতিদিনের ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানের মাধ্যমে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারের নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিতভাবে চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “স্টিমারঘাট ফাঁড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চলমান থাকবে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধ চলমান থাকবে। যারা মাদক ব্যবসা ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে।”

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুধু মাদক নয়—চুরি, ছিনতাইসহ অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণেও স্টিমারঘাট ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত টহল, তথ্য সংগ্রহ এবং অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন জনবহুল এলাকাগুলোতে মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগণের সচেতনতাও গুরুত্বপূর্ণ।

স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক ব্যবসা বা সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।