
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বানারীপাড়ায় চর দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু।
বানারীপাড়ায় চর দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু
পত্রপত্রিকায় -এ সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচেড়ে বসেছে প্রশাসন। বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় সন্ধ্যা নদীর চরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছে তারা। বুধবার সকালে ফেরিঘাট-সংলগ্ন দক্ষিণ পাশের চরে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে।
উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মামুন ও জারিকারক মো. খায়ের ১০-১২ জন শ্রমিক নিয়ে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহে আলমসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তবে উচ্ছেদ অভিযান চলার মধ্যেই ৫০ গজের মধ্যে ফেরিঘাট-সংলগ্ন চরের জমিতে নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ শুরু করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সবুর খান। এ ঘটনায় প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তবে পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিএমএ মুনীব।
বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ‘বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর চর বিক্রি করছে প্রভাবশালী চক্র’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। প্রতিবেদনে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা ও তার দলবলের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করা হয়। ব
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহে আলম সাংবাদিকদের বলেন, বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দীন আহম্মেদ সান্টুর নির্দেশেই আমরা উচ্ছেদ অভিযানে প্রশাসনকে সহায়তা করতে গিয়েছিলাম। তিনি বলেন, বিএনপি কোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব পছন্দ করে না। যারা এসবের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বোয়েজিদুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি বারবার কেটে দেন। তবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিএমএ মুনীব আমার দেশকে বলেন, বুধবার সকাল থেকেই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। আইনগতভাবে পুরোপুরি উচ্ছেদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান চলবে বলে জানান তিনি

