ঢাকাFriday , 2 October 2026
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বানারীপাড়ায় বেওয়ারিশ ও অসুস্থ কুকুরের উপদ্রব চরমে: আতঙ্কে পৌরবাসী, পুনর্বাসনের দাবি

Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
৭১

মাইদুল ইসলাম শফিক, বানারীপাড়া :: বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভায় বেওয়ারিশ ও অসুস্থ কুকুরের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের গলি থেকে শুরু করে প্রধান সড়কগুলোতে দলবেঁধে কুকুরের ঘুরে বেড়ানো এখন নিত্যদিনের চিত্র। এতে পথচারী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও বয়স্ক মানুষদের মধ্যে সবসময় জলাতঙ্ক ও কুকুরের কামড়ের আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, পরিবেশগত সমস্যা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে অবিলম্বে এসব কুকুরের নিরাপদ পুনর্বাসন ও সঠিক সরকারি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

পৌরসভার বন্দর বাজার, লঞ্চঘাট, বাসস্ট্যান্ড, হাসপাতাল রোড এবং বিভিন্ন আবাসিক এলাকার রাস্তায় দিন-রাত অসুস্থ ও হিংস্র কুকুরের বিচরণ দেখা যায়। পথচারীদের অভিযোগ, বিশেষ করে ভোরে ও রাতের আঁধারে একা চলাচল করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। প্রায়শই সাধারণ মানুষ ও শিশুদের দিকে তেড়ে আসার ঘটনা ঘটছে।
এ ছাড়া চর্মরোগ ও বিভিন্ন ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত অসুস্থ কুকুর পরিবেশকে দূষিত করছে। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলার পাশাপাশি অসুস্থ ও কুকুর শরীরের দুগন্ধ পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।

স্থানীয়রা জানান যে,উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বিচারে কুকুর নিধন আইনত দণ্ডনীয়। তাই তারা নিধনের বদলে স্মার্ট ও মানবিক সমাধানের দাবি জানাচ্ছেন। সচেতন নাগরিকদের মতে, ভোগান্তি কমাতে পৌরসভা ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।এছাড়াও পৌরবাসির দাবি, অসুস্থ ও হিংস্র কুকুরদের লোকালয় থেকে সরিয়ে নির্দিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রে বা পুনর্বাসন কেন্দ্রে রেখে পরিচর্যা করা। জলাতঙ্ক প্রতিরোধে পৌর এলাকার সব বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিনের (Rabies Vaccine) আওতায় আনা এবং বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানসম্মত বন্ধ্যাকরণ (CNVR) কর্মসূচি চালানো। অসুস্থ কুকুরগুলোর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, যেন ডাস্টবিনে কুকুর খাবার খুঁজতে এসে ভিড় না জমায়।

এ বিষয়ে বানারীপাড়া প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ মাসুম বিল্লাহ’র কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান যে,বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে কুকুরগুলোকে ভ্যাকসিন দেয়ার বরাদ্দ না থাকায় দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।এছাড়াও তিনি বলেন যে সরকারিভাবে কোনো নির্দেশনা আসলে পরবর্তীতে তারা নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবেন।
তবে পৌরসভার পক্ষ কোনো কুকুর তার কার্যালয়ে নিয়ে আসলে সেগুলোকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়।
বানারীপাড়া পৌরসভার সৌন্দর্য রক্ষায় এবং নাগরিকদের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ দ্রুত এ বিষয়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা পৌরবাসীর।

 

 

 

 

 

বানারীপাড়ায় বেওয়ারিশ ও অসুস্থ কুকুরের উপদ্রব চরমে: আতঙ্কে পৌরবাসী, পুনর্বাসনের দাবি
মাইদুল ইসলাম শফিক, বানারীপাড়া :
​বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভায় বেওয়ারিশ ও অসুস্থ কুকুরের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের গলি থেকে শুরু করে প্রধান সড়কগুলোতে দলবেঁধে কুকুরের ঘুরে বেড়ানো এখন নিত্যদিনের চিত্র। এতে পথচারী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও বয়স্ক মানুষদের মধ্যে সবসময় জলাতঙ্ক ও কুকুরের কামড়ের আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, পরিবেশগত সমস্যা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে অবিলম্বে এসব কুকুরের নিরাপদ পুনর্বাসন ও সঠিক সরকারি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

পৌরসভার বন্দর বাজার, লঞ্চঘাট, বাসস্ট্যান্ড, হাসপাতাল রোড এবং বিভিন্ন আবাসিক এলাকার রাস্তায় দিন-রাত অসুস্থ ও হিংস্র কুকুরের বিচরণ দেখা যায়। পথচারীদের অভিযোগ, বিশেষ করে ভোরে ও রাতের আঁধারে একা চলাচল করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। প্রায়শই সাধারণ মানুষ ও শিশুদের দিকে তেড়ে আসার ঘটনা ঘটছে।
এ ছাড়া চর্মরোগ ও বিভিন্ন ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত অসুস্থ কুকুর পরিবেশকে দূষিত করছে। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলার পাশাপাশি অসুস্থ ও কুকুর শরীরের দুগন্ধ পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।

স্থানীয়রা জানান যে,উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বিচারে কুকুর নিধন আইনত দণ্ডনীয়। তাই তারা নিধনের বদলে স্মার্ট ও মানবিক সমাধানের দাবি জানাচ্ছেন। সচেতন নাগরিকদের মতে, ভোগান্তি কমাতে পৌরসভা ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।এছাড়াও পৌরবাসির দাবি, অসুস্থ ও হিংস্র কুকুরদের লোকালয় থেকে সরিয়ে নির্দিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রে বা পুনর্বাসন কেন্দ্রে রেখে পরিচর্যা করা। জলাতঙ্ক প্রতিরোধে পৌর এলাকার সব বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিনের (Rabies Vaccine) আওতায় আনা এবং বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানসম্মত বন্ধ্যাকরণ (CNVR) কর্মসূচি চালানো। অসুস্থ কুকুরগুলোর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, যেন ডাস্টবিনে কুকুর খাবার খুঁজতে এসে ভিড় না জমায়।

এ বিষয়ে বানারীপাড়া প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ মাসুম বিল্লাহ’র কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান যে,বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে কুকুরগুলোকে ভ্যাকসিন দেয়ার বরাদ্দ না থাকায় দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।এছাড়াও তিনি বলেন যে সরকারিভাবে কোনো নির্দেশনা আসলে পরবর্তীতে তারা নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবেন।
তবে পৌরসভার পক্ষ কোনো কুকুর তার কার্যালয়ে নিয়ে আসলে সেগুলোকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়।

বানারীপাড়া পৌরসভার সৌন্দর্য রক্ষায় এবং নাগরিকদের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ দ্রুত এ বিষয়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা পৌরবাসীর।