ঢাকাThursday , 15 October 2026

পুলিশকে কুপিয়ে টাকা-মোবাইল ছিনতাই, আসামি ধরল এসআরবি

Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
৭

নিউজ ডেস্ক :: পুলিশকে কুপিয়ে টাকা-মোবাইল ছিনতাই, আসামি ধরল এসআরবি

খুলনায় ছিনতাইয়ের সময় পুলিশের এক পরিদর্শককে ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার মামলার প্রধান আসামি ও পরিকল্পনাকারী মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজ (৩৯) এবং তার সহযোগী মো. ইব্রাহিম গাজীকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নগরীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে এসআরবি-৬ এর সদস্যরা তাদের গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তার মিরাজ নগরীর হাজী মুহসিন রোডের ফারুক মিয়ার ছেলে ও ইব্রাহিম গাজী নগরীর টুটপাড়ার সরকারপাড়ার মৃত আকবর আলীর ছেলে।এসআরবি-৬’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এসআরবি-৬, স্পেশাল কোম্পানির একটি দল নগরীর সোনাডাঙা থানার কলাবাগান এলাকা ও সদর থানার টুটপাড়া এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজের বিরুদ্ধে এর আগে কেএমপির আড়ংঘাটা ও সদর থানায় গুরুতর আঘাতসহ চুরি ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া সহযোগী ইব্রাহিম গাজীর বিরুদ্ধেও খুলনা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে।তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার পুলিশ পরিদর্শককে কোপানোর সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। উল্লেখ্য, গত ৯ অক্টোবর গভীর রাতে খুলনা জেলার সার্কেল অফিসে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শাহ আলম রূপসা উপজেলায় অভিযান শেষে রিকশায় নগরীর পুলিশ ক্লাবে যাওয়ার পথে খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের সামনে পৌঁছালে তিনজন ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে। এ সময় ছিনতাইকারীরা তার কাছে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং ধারালো চাপাতি দিয়ে তার দুই হাতের কবজির ওপরে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরপরই খুলনা থানার ওসি ও সোনাডাঙা থানার মোবাইল টিমের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বেসরকারি সিটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পরে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার এভায়কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই (নি.) মো. আওয়াল হোসেন বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।