ঢাকাSaturday , 8 August 2026
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পুলিশ সদস্য মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ : সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি

Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ঝালকাঠি জেলায় কর্মরত বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল মোহাম্মদ রাসেল তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনলাইন মাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, একটি কুচক্রী মহল অন্য একজনের মাদকসেবনের ভিডিও তার নামে প্রচার করে তাকে সামাজিক ও পারিবারিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে মোহাম্মদ রাসেল বলেন, তিনি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চাকরি জীবনে তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। বরং দায়িত্ব পালনকালে তিনি সবসময় মাদক, অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, তার পরিবারও দীর্ঘদিন ধরে মাদকবিরোধী সামাজিক কার্যক্রমে সক্রিয়। বিশেষ করে তার বড় ভাই নিজ এলাকায় মাদকবিরোধী সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। নিজেও এলাকায় গেলে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র তার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

রাসেলের অভিযোগ, সেই চক্রই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অন্য একজন ব্যক্তির ইয়াবা সেবনের ভিডিও তার পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এতে তার ব্যক্তি মর্যাদা, পেশাগত সুনাম এবং পরিবারের সম্মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় তিনি মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন বলে জানান।
তিনি বলেন, “আমি একজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হিসেবে সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তার সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। যারা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ও ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করেছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হোক।”

মোহাম্মদ রাসেল সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য বা ভিডিও শেয়ার না করার আহ্বান জানান।

এদিকে, স্থানীয় বিভিন্ন মহল এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছে তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাইহীন তথ্য প্রচার ব্যক্তি, পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করতে পারে। তাই এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।