
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল নগরীর আমানতগঞ্জ বক্ষব্যাধি হাসপাতালের পেছনে থাকা জমি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য বরিশাল ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা নিয়ে ভূমির মাপ দিয়ে সমাধানের আহ্বান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. ফোরকান মিয়া। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি (বিআরইউ) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
নগরীর ৬ নং ওয়ার্ডের গগন গলি এলাকার মৃত আবদুর রশিদ হাওলাদারের ছেলে ফোরকান লিখিত বক্তব্যে বলেন, হাসপাতালের পেছনে থাকা জমির বৈধ মালিক হলেন বরিশাল নগরীর রূপাতলী এলাকার বাসিন্দা মজিদ আকন। তার মৃত্যুর পর পৈতৃক সূত্রে জমির মালিক হন মরহুমের দুই সন্তান মো. হেলাল আকন ও মোছা. বিউটি বেগম। এই দুই ভাই-বোন মিলে আমি সহ ৪ জনের সাথে ২০২৬ সালের ২৪ জুন তারিখে ৬৯ শতাংশ জমি আন-রেজিস্ট্রি বায়না চুক্তি (নোটারি) করে।Geographic Reference
জমি ক্রয়ের আগে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। পুরোনো আদালতের রায়, ডিক্রি, খতিয়ান ও অন্যান্য নথির ভিত্তিতে তাঁরা জমিটির মালিকানা বৈধ মালিক হলেন মজিদ আকনের ওয়ারিশ। বায়না চুক্তির পর ভূমি উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ওই জমিতে বালু ভরাট করা হয়। অথচ- বৈধ কাগজপত্র যাচাই না করে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে ব্যক্ত করেন।
হঠাৎ ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই বক্ষব্যাধি হাসপাতালের পক্ষে মেডিক্যাল অফিসার ডা. মাসুমা আক্তার কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিএমপি কাউনিয়া থানায় একটি লিখিত আবেদনে উল্লেখ করেন, জমি কে বা কারা হাসপাতালের পেছনের জমি ভরাট করছে।
লিখিত বক্তব্যে ফোরকান মিয়া আরো বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়ে বরিশাল বিজ্ঞ সদর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা (নং-৩৩৩/২৬) করা হয়েছে। মামলাটি বিচারাধীন থাকায় জমি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বিষয়টি সমাধানের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, থানায় ও সিভিল সার্জন অফিসে বসা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, জমিসংক্রান্ত বিষয়ে উভয় পক্ষের জমির কাগজপত্র যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।

