
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় চৈতি নামের অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী নিহতের ঘটনায় দায়ী চালকের শাস্তি ও নগরীতে অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে বিএম কলেজ সড়কের শের-ই-বাংলা বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
এতে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই অবরোধে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নিয়ে ক্লাসে ফিরে যায়।
আরও দেখুন
স্বাস্থ্য বীমা
বরিশাল ক্রাইম নিউজ
রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
আইনি পরামর্শ
জ্বালানি তেল
প্রশাসক শিরীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘দোষী অটোরিকশাচালককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শের-ই-বাংলা বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে হাজির করা হবে। পাশাপাশি নগরীতে অবৈধ অটোরিকশাচলাচল বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্ঘটনায় আহত চৈতিকে সহপাঠীরা হাসপাতালে নেওয়ার পরও দ্রুত চিকিৎসা মেলেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। চিকিৎসা পেতে দেড় ঘণ্টা বিলম্ব হওয়ায় অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বিশেষ সংবাদ
চিকিৎসা পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার এবং এ ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।
এর আগে বুধবার স্কুল ছুটির পর সড়ক পার হওয়ার সময় চৈতি অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়। তাকে প্রথমে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তার মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, নিহত চৈতি মায়ের সঙ্গে নগরীর জিয়া সড়ক এলাকার বাংলালিংক টাওয়ার সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করত। তার বাবা ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলঅসি বলেন, ‘চৈতির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

