
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সংস্কারের ৫ দফা দাবি দীর্ঘদিনেও পূরণ না হওয়ায় বরিশাল সরকারি বিএম কলেজ ক্যাম্পাসের বাণিজ্য ভবন মাঠে কচুগাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন একদল শিক্ষার্থী।বরিশাল ভ্রমণ গাইড
আজ শনিবার বিকেলে তাঁরা এক বছর আগের দাবি পূরণ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতীকী এ প্রতিবাদ জানান। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁরা সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য লেগে আছেন।
এক বছর আগের শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি ছিল আবাস-সংকট দূরীকরণ, জলাবদ্ধতা নিরসন করে রাস্তা-ড্রেন সংস্কার, মাঠ ভরাট, অডিটরিয়াম সংস্কার এবং বিভিন্ন বিভাগের অবকাঠামো সংস্কার ও শিক্ষক-সংকট দূরীকরণ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজ শনিবার বিকেলে আন্দোলনকারীদের কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বাণিজ্যভবন মাঠে কচুগাছ লাগিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। ফলে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
২০২৫ সালের জুনে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া বিএম কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সাহাবুদ্দিন মিয়া ফেসবুকে লেখেন, ‘প্রতিশ্রুতি দেয়ার পরও দীর্ঘদিনে দৃশ্যমান কোনো সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এর প্রতিবাদে প্রতীকী কর্মসূচি হিসেবে কলেজের বাণিজ্য ভবন মাঠে কচুগাছ রোপণ করেছেন তাঁরা। সংস্কার না হওয়ায় মাঠটি এখন কার্যত “কচু চাষের” উপযোগী হয়ে উঠেছে।’
এ প্রসঙ্গে কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র ফেরদৌস রুমী বলেন, গতবছর জুনে সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা কলেজের নানা খাতে সংস্কারের জন্য আন্দোলন করেন। পরে তাঁরা অধ্যক্ষের কাছে সুনির্দিষ্ট ৫ দফা দাবি জানান। অধ্যক্ষ প্রফেসর তাজুল ইসলাম দাবি মেনে নিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন। তিনি দাবি বাস্তবায়নে কমিটিও করে দেন। কিন্তু সেই কমিটি আর আলোর মুখ দেখেনি। যে কারণে তাঁরা প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে শনিবার বিকেলে কলেজের বাণিজ্য ভবন মাঠে ৫টি কচুগাছ লাগিয়ে দিয়েছেন। তাঁরা মনে করেন, এমন প্রতিবাদ দেখে কলেজ কর্তৃপক্ষের হয়তো হুঁশ ফিরবে।Dictionaries & Encyclopedias
শিক্ষার্থীরা বলেন, বর্তমানে বিএম কলেজের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো তীব্র জলাবদ্ধতা। গোটা ক্যাম্পাস পানিতে ডুবে থাকে। কিন্তু এ বিষয়ে প্রশাসনের কোনো মাথাব্যথা নেই। বারবার আশ্বাস দিলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ধামাচাপা দিতে কেবল কমিটি করে দেয়।
এ ব্যপারে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সরকারি কাজে বেশ জটিলতা। লাল ফিতার দৌরত্ম্য অনেক। কলেজের হোস্টেল সংস্কারসহ বেশ কিছু কাজ আবার শিক্ষা প্রকৌশল যাচাইবাছাই করবে। জলাবদ্ধতা নিরসনের দায়িত্ব নিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। সংস্কারের দাবি পূরণ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি।নিজস্ব প্রতিবেদক ::: সংস্কারের ৫ দফা দাবি দীর্ঘদিনেও পূরণ না হওয়ায় বরিশাল সরকারি বিএম কলেজ ক্যাম্পাসের বাণিজ্য ভবন মাঠে কচুগাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন একদল শিক্ষার্থী।বরিশাল ভ্রমণ গাইড
আজ শনিবার বিকেলে তাঁরা এক বছর আগের দাবি পূরণ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতীকী এ প্রতিবাদ জানান। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁরা সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য লেগে আছেন।
এক বছর আগের শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি ছিল আবাস-সংকট দূরীকরণ, জলাবদ্ধতা নিরসন করে রাস্তা-ড্রেন সংস্কার, মাঠ ভরাট, অডিটরিয়াম সংস্কার এবং বিভিন্ন বিভাগের অবকাঠামো সংস্কার ও শিক্ষক-সংকট দূরীকরণ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজ শনিবার বিকেলে আন্দোলনকারীদের কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বাণিজ্যভবন মাঠে কচুগাছ লাগিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। ফলে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
২০২৫ সালের জুনে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া বিএম কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সাহাবুদ্দিন মিয়া ফেসবুকে লেখেন, ‘প্রতিশ্রুতি দেয়ার পরও দীর্ঘদিনে দৃশ্যমান কোনো সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এর প্রতিবাদে প্রতীকী কর্মসূচি হিসেবে কলেজের বাণিজ্য ভবন মাঠে কচুগাছ রোপণ করেছেন তাঁরা। সংস্কার না হওয়ায় মাঠটি এখন কার্যত “কচু চাষের” উপযোগী হয়ে উঠেছে।’
এ প্রসঙ্গে কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র ফেরদৌস রুমী বলেন, গতবছর জুনে সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা কলেজের নানা খাতে সংস্কারের জন্য আন্দোলন করেন। পরে তাঁরা অধ্যক্ষের কাছে সুনির্দিষ্ট ৫ দফা দাবি জানান। অধ্যক্ষ প্রফেসর তাজুল ইসলাম দাবি মেনে নিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন। তিনি দাবি বাস্তবায়নে কমিটিও করে দেন। কিন্তু সেই কমিটি আর আলোর মুখ দেখেনি। যে কারণে তাঁরা প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে শনিবার বিকেলে কলেজের বাণিজ্য ভবন মাঠে ৫টি কচুগাছ লাগিয়ে দিয়েছেন। তাঁরা মনে করেন, এমন প্রতিবাদ দেখে কলেজ কর্তৃপক্ষের হয়তো হুঁশ ফিরবে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, বর্তমানে বিএম কলেজের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো তীব্র জলাবদ্ধতা। গোটা ক্যাম্পাস পানিতে ডুবে থাকে। কিন্তু এ বিষয়ে প্রশাসনের কোনো মাথাব্যথা নেই। বারবার আশ্বাস দিলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ধামাচাপা দিতে কেবল কমিটি করে দেয়।
এ ব্যপারে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সরকারি কাজে বেশ জটিলতা। লাল ফিতার দৌরত্ম্য অনেক। কলেজের হোস্টেল সংস্কারসহ বেশ কিছু কাজ আবার শিক্ষা প্রকৌশল যাচাইবাছাই করবে। জলাবদ্ধতা নিরসনের দায়িত্ব নিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। সংস্কারের দাবি পূরণ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি।

