
বাউফল প্রতিনিধি :: ফ্যাসিস্ট আ’লীগের সমর্থক এখন জামায়াত সমর্থক! অত:পর পটুয়াখালীর বাউফলের নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। সরেজমিনে এবং একাধিক অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন মিটিং-মিছিল, সভা-সমাবেশে সরব ছিলেন ইকবাল হোসেন তালুকদার। ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনাসহ তার এমপি-মন্ত্রীরা দেশ থেকে পলায়ন করলে ভোল পাল্টে ইকবাল হোসেন তালুকদার জামায়াত নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ’র সাথে যোগাযোগ করে জামায়াত কর্মি বনে যান। ক্রমান্বয়ে হয়ে উঠেন জামায়াত নেতা। এলাকায় প্রভাব ফেলেন সংসদ নির্বাচনে। সংসদ নির্বাচনে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বাউফলের এমপি নির্বাচিত হলে ইকবাল হোসেন তালুকদার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রচার-প্রচারনা করে জামায়াতে তার অবস্থান আরো পোক্ত করেন।
এবার বাউফলের নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হতে প্রভাব বিস্তার করে স্কুলের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক নাম প্রস্তাবে ০২ নাম্বারে নাম লিপিবদ্ধ করেন। বর্তমানে বরিশাল শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানকে ম্যানেজ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এ ব্যাপারটি এলাকায় জানাজানি হলে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। চায়ের দোকান থেকে মাঠ-ঘাট-প্রান্তরে মানুষ বলতে থাকে ফ্যাসিস্ট দোসর ইকবাল হোসেন তালুকদার এখন জামায়াত নেতা! আবার তদবির করেন নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হতে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সাবেক সিইসি নুরুল হুদার আপন ছোট ভাই, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ নওমালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কে এম নাসির উদ্দিন সবুজ খান’র যোগসাজসে বোর্ড চেয়ারম্যানকে ম্যানেজ করে ইকবাল তালুকদারকে এডহক কমিটির সভাপতি বানানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কারণ, ইকবাল হোসেন তালুকদার এবং সাবেক সিইসি পরিবারের মধ্যে রয়েছে গভীর সখ্যতা। নাটের গুরু সবুজ খান বিভিন্ন নামে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে, স্কুলের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক এডহক কমিটির সভাপতির প্রস্তাবে উচ্চ শিক্ষিত ড. ইয়াকুব শরীফ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক এবং বিএনপি নেতা মোঃ নজরুল ইসলাম বরিশাল শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে ন্যায় বিচার দাবি করেন।

