ঢাকাSaturday , 29 August 2026
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্বামী-সন্তান রেখে প্রেমিকের বাড়িতে নারীর অবস্থান

Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
৫৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :: স্বামী-সন্তান রেখে প্রেমিকের বাড়িতে নারীর অবস্থান।

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন সম্পর্কের পর এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে মনিরুল ইসলাম নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে মনিরুল বিদেশে চলে গেলে বিয়ের দাবিতে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) তার বাড়িতে অবস্থান নেন ওই নারী।

বিজ্ঞাপন

অভিযুক্ত মনিরুল ইসলাম উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামের আশা গাজীর ছেলে।

ভুক্তভোগী নারী উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে কলারোয়া এলাকায় ওই নারীর বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ১৪ বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্রায় দুই বছর ধরে মনিরুলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মনিরুল তাকে নিজের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন। ২০২৫ সালের ২৪ মে সাতক্ষীরার একটি ক্লিনিকে পরীক্ষা করালে তার গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি জানাজানি হলে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে একটি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত করানো হয়। পরে মনিরুল সম্পর্ক ও বিয়ের প্রতিশ্রুতি অস্বীকার করে বিদেশে চলে যান।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিয়ের দাবিতে মনিরুলের বাড়িতে যান ওই নারী। সেখানে তিনি ন্যায়বিচার ও পারিবারিক স্বীকৃতির দাবি জানান। একপর্যায়ে তিনি আত্মহত্যার হুমকি দিলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।

পরে মনিরুলের পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় সাবেক এক ইউপি সদস্যকে ডেকে আনা হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মনিরুল দেশে ফিরলে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে ওই নারী সেখান থেকে চলে যান।

বিজ্ঞাপন

এ সময় মনিরুলের মা সুফিয়া বেগম বলেন, আমার বাড়িতে এসেছে কিন্তু আমার ছেলে তো বাড়িতে নেই। আর তাছাড়া তার মেয়ে ও স্বামী আছে, তার সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ে কীভাবে দেব? তার মেয়ে রেখে আমার ছেলের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্ক করে? আশপাশের লোকজনের কাছে জিজ্ঞাসা করে দেখেন, আমার ছেলে বিদেশে থাকে। তার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।

এ বিষয়ে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান রিমু বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমাদের কেউ জানায়নি এবং আমাদের কাছে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।