ঢাকাবুধবার , ৮ জুলাই ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ : ১১ দিন পর মারা গেল অন্তঃসত্ত্বা তরুণী

ক্রাইম টাইমস রিপোর্ট
জুলাই ৮, ২০২৬ ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
৭৭

নিউজ ডেস্ক :: স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ : ১১ দিন পর মারা গেল অন্তঃসত্ত্বা তরুণী

রাজধানীর মিরপুরে আ/গু/নে দ/গ্ধ হওয়ার ১১ দিন পর মা/রা গেলেন শিফা আক্তার (১৮) নামে পোশাক অন্তঃসত্ত্বা এক তরুণী। পরিবারের অভিযোগ, তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে
আ/গু/ন দিয়েছিলেন স্বামীসহ কয়েকজন।
সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা/রা যান তিনি।

পোশাক শ্রমিক শিফা কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম থানার নোয়াগাঁও গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে। চার বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়।

শিফার বাবা জাহাঙ্গীর আলম জানান, আট মাস আগে একই উপজেলার লাউরা পশ্চিম পাড়া গ্রামের সোহেলের সঙ্গে বিয়ে হয় তার মেয়ের। বিয়ের পর তারা মিরপুর-২ বড়বাগ এলাকার আজমত গার্মেন্টসের পাশে বাসা ভাড়া নেন। দুজনই চাকরি নেন ওই গার্মেন্টসে। মিরপুরেই থাকেন শিফার বাবা জাহাঙ্গীর আলম। ২৪ জুন মধ্যরাতে এলাকার কয়েকজন তার বাসায় গিয়ে খবর দেন, তার মেয়ে শিফা আ/গু/নে পু/ড়ে গেছে। তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। পরে তিনি হাসপাতালে এসে দ/গ্ধ মেয়েকে দেখতে পান। মেয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন, তার স্বামী সোহেল নিজে এবং আরও চার-পাঁচজন মিলে শিফার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আ//গু/ন দিয়ে পালিয়ে গেছে।

আলম বলেন, ‘বিয়ের সময় কিছু টাকা সোহেলকে যৌতুক হিসেবে দেয়ার কথা ছিল। তবে
অ/ভা/বের কারণে সেই টাকা তখন দিতে পারিনি। সেই টাকার জন্য সোহেল, তার বাবা-মা নানানভাবে চাপ দিত। সোহেল এজন্য শিফাকে মা/র/ধরও করত। এরপরই শিফা গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে গার্মেন্টসে চাকরি নিয়েছিল। পরে সোহেলও চাকরি নেয়। শিফা ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। এক মাস আগেও সোহেল তাকে মা/র/ধ/র করে। শিফাকে সে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যেতে চায়। বাড়িতে না গেলে তাকে গাড়ির নিচে ফেলে দিবে বলে হু/মকি দেয়। এই ভয়ে শিফা ঘটনার ১৫ দিন আগে চাকরিও ছেড়ে দেয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘২৪ জুন রাতে তাকে আ/গু//নে পু/ড়িয়ে দেয় সোহেল। পাশের একটি ভবনের নির্মাণ শ্রমিকরা আ/গু/ন জ্ব/ল/তে দেখে নিচে নেমে এসে তার শরীরের আ/গু/ন নেভায়। পরে তারাই হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিল। ১১ দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরও তার স্বামীর পরিবারের কেউই দেখতে আসেনি। সবাই গা ঢাকা দিয়েছে।’

শিফার মৃ/ত্যু/র বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক জানান, ম/র/দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি মিরপুর মডেল থানা পুলিশ তদন্ত করছে।