ঢাকাFriday , 12 January 2024
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অর্থ লোপাটসহ বিভিন্ন অভিযোগ আ’লীগ নেতা ভিপি আনোয়ারের বিরুদ্ধে

Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
১৭১

নিউজ ডেস্ক :: বিকাশ মাল্টিপারপাসের নামে অর্থ লোপাটসহ বিভিন্ন অভিযোগ ভিপি আনোয়ারের বিরুদ্ধে

সমিতির নাম করে অর্থ লুটসহ নানা অভিযোগে বরিশার মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বিএম কলেজের সাবেক ভিপি আনোয়ার হোসেনকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) রাতে বরিশাল ল’ কলেজে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ‘ কলেজের ২ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে বরিশার ল’ কলেজের সাবেক ছাত্রনেতারা গেলে তাদের সঙ্গে ভিপি আনোয়ারের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা রূপ নেয় মারামারিতে। ভিপি আনোয়ারকে মারধর করে বিবস্ত্র করে ফেলা হয় বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় কলেজের ২ ছাত্র মারামারি থামাতে এগিয়ে এলে তারাও আহত হন বলে জানা যায়।

এ বিষয় জানতে চাইলে ভিপি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আরিফুর রহমান অপু ও সাবেক ছাত্রদল নেতা আজিম আমাকে মারধর করেছে। এরা বরিশাল-৫ আসনের বর্তমান এমপি জাহিদ ফারুক শামীমের লোক। অপু ও আজিমসহ ৪ থেকে ৫ জন কলার ধরে টেনে হিঁচড়ে আমাকে মারতে মারতে বিবস্ত্র করে ফেলেছে। তারা কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরও মারধর করেছে। মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহকে গালাগালি করেছে। তারা বলেছে, ল’ কলেজ এখন থেকে তাদের কথামতো চলবে। এসব বলে মারধর করা হয় আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’

এদিকে এ ঘটনার খবর পেয়ে বরিশাল ল’ কলেজে ছুটে আসেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর ও সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহ। এসময় সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ঘটনাটি দুঃখজনক। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমি শেখ হাসিনার রাজনীতি করি। মারধরের এমন ঘটনা কাম্য নয়।’

এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম।

এদিকে মারধরের শিকার ভিপি আনোয়ার বিকাশ মাল্টিপারপাস নামে একটি সমিতির নাম করে অর্থ লুটসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত। এছাড়া নানা ধরনের বেআইনি কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একাধিকবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী বরিশাল হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ বিশু বলেন, ‘কয়েকশ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বিএম কলেজের সাবেক ভিপি আনোয়ার হোসেনের এক সময়কার পরিচালনাধীন বিকাশ মাল্টিপারপাস। আমি নিজেও তার কাছে ৫ লাখ টাকা পাই। মানুষের দীর্ঘশ্বাসের কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে।’

শুধু বিশ্বজিৎ ঘোষ নন, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী একাধিক ব্যক্তি ভিপি আনোয়ারের বিচারের দাবি জানান। ভিপি আনোয়ার যার রাজনীতি করেন তারা কোণঠাসা হওয়ায় মানুষের কষ্টের নিশ্বাসের বিচার শুরু হয়েছে বলে মনে করেন নাম প্রকাশ না করতে চাওয়া ভুক্তভোগীরা।

তবে বরাবারই অর্থ লোপাটের অভিযোগ অস্বীকার করে মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বিএম কলেজের সাবেক ভিপি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সমিতির টাকা আমি লুট করিনি। সমিতির দুই নারী কর্মচারী সব টাকা লুট করেছিল অজুহাত দাঁড় করেছেন। এছাড়া আমি ছাত্র রাজনীতি করেছি। আমার পরিবারের কোনো সম্পদের অভাব নেই।’