ঢাকাThursday , 22 October 2026
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বগুড়া জেলা পুলিশের কার্যলয় পরিদর্শনে রাজশাহীর রেঞ্জ ডিআইজি আশিক সাঈদ

Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
৮

মো: আম্মার হোসেন আম্মান :: বগুড়া জেলা পুলিশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনার অংশ হিসেবে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ, পিপিএম।

বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) বগুড়া পুলিশ লাইন্সে পৌঁছালে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত জানান পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, পিপিএম। এ সময় জেলা পুলিশের একটি সুসজ্জিত দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

পরিদর্শনের শুরুতে ডিআইজি বগুড়া রিজার্ভ অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি অফিসের প্রশাসনিক কার্যক্রম, জনবল ব্যবস্থাপনা, দাপ্তরিক নথিপত্র ও বিভিন্ন রেজিস্টার পর্যালোচনা করেন। নথিপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ, সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরে তিনি বগুড়া ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, প্রশিক্ষণার্থীদের উপস্থিতি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। পুলিশ সদস্যদের পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে মানসম্মত প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রশিক্ষণের গুণগত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এরপর ডিআইজি বগুড়া ডিএসবি অফিসের প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ডের বার্ষিক পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, রেজিস্টার, শাখার কার্যক্রম ও দায়িত্ব পালনের পদ্ধতি পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি তথ্যের নির্ভুলতা, নথিপত্রের সঠিক সংরক্ষণ, পেশাগত গোপনীয়তা রক্ষা এবং দায়িত্ব পালনে সতর্কতা ও পেশাদারত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শন শেষে বগুড়া জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ। সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশি কার্যক্রমের অগ্রগতি ও দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা এবং জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার বগুড়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুন নেছা এবং জেলা পুলিশের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সদস্যরা।