
নিজস্ব প্রতিবেদক :: ১০ বছর ধরে অচল থাকা বরিশালের একমাত্র শিশু হাসপাতাল চালু
বরিশালসহ বিভাগে শিশু হাম রোগীর সংখ্যা কমানোর পাশাপাশি প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে বরিশালের একমাত্র শিশু হাসপাতালটি চালুর নির্দেশ দিয়েছে বরিশালের নবাগত বিভাগীয় কমিশনার খলিলুর রহমান। নগরীর আমানতগঞ্জে শিশুদের জন্য ২০১৭ সালে নির্মিত হয় ২৫০ বেডের এই শিশু হাসপাতালটি।
বুধবার আকস্মিকভাবে হাসপাতালটি পরির্দশনে যান বরিশালের নবাগত বিভাগীয় কমিশনার। ভবনসহ ভিতরের নানা অবকাঠামো রেডি হলেও বিদুৎ সাবস্টেশন না থাকায় চালু না হয়ে পড়ে থাকা হাসপাতালের প্রতিটি কক্ষ পরিদর্শন করেন তিনি। সে সময় অক্সিজেনসহ সকল ইলেকট্রনিক্স সংযোগগুলো সচলের নিশ্চয়তা যাচাই করেন।
একইসাথে হাম রোগীদের আইসলিউশন করার জন্য আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে এখানে শিশুদের চিকিৎসার ব্যাবস্থা করতে নির্দেশ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি নির্মান প্রতিষ্ঠান পিডাব্লিউডিকে দ্রুত বিদুৎ সংযোগ স্থাপন, অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থার জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিটি কর্পোরেশনকে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য নির্দেশনা দেন।
অপরদিকে যাতে আগামী সপ্তাহেই এই ভবনে চিকিৎসা সেবা চালু করতে পারে সে লক্ষ্যে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিয়ে কাজ শুরু করেছেন পিডাব্লিউডির নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আহমেদ।
আরও দেখুন
News app subscription
রাজনৈতিক দল
রাজনৈতিক গবেষণা
Television news
National news coverage
এ সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, স্থানীয় সরকার পরিচালক খন্দকার আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক মোঃ খাইরুল আলম সুমন, সিভিল সার্জন ড.এস এম মঞ্জুর ই-ইলাহী সহ প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তাবৃন্দ।
বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
এ দিকে বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিরুল ইসলাম খসরু জানিয়েছেন, একই সাথে শুরু হয়ে অন্যান্য জেলার শিশু হাসপাতালগুলো অনেক আগেই উদ্বোধন করা হয়েছে। শুধু বরিশালের হাসপাতালটি বছরের পর বছর পড়ে রয়েছে। শুনেছি ইঞ্জিনিয়ার এবং ঠিকাদারের অনিয়ম গাফিলতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে এটি পড়ে আছে। উদ্যোক্তার অভাব। নতুন বিভাগীয় কমিশনার উদ্যোগ নিয়েছেন এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই।
স্থানীয় বাসিন্দা আখতারুজ্জামান সাব্বির জানান, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠানটি নির্মিত হয়। ঠিকাদার ছিলেন সদর উপজেলার চেয়ারম্যান। প্রতিষ্ঠানটি বুঝিয়ে দিতে না না তালবাহানা করেছিলেন তিনি। শুনেছি একাধিকবার এটিকে রিভাইস করে সরকারি অর্থ লোপাট করা হয়েছে। এটি খতিয়ে দেখা উচিত। সংশ্লিষ্ট অফিসের হাত ছাড়া একটি সম্ভব না।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে গণপূর্ত অফিসের প্রকৌশলী জানান, মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে ঠিকাদার কাজ অনেক বছর আটকে রেখেছিল। বাড়তি মূল্য আদায় করতে পারেননি তিনি। প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হওয়ার পরে তার কাজ তিনি সমাপ্ত করেছেন।

