
নিজস্ব প্রতিবেদক :: আল্লাহর খাঁটি বান্দা হতে হলে দুনিয়ার মোহ মায়া থেকে নিজেকে পরহেজ করতে হবে, ছারছীনা পীর।
আল্লাহর খাঁটি বান্দা হতে হলে দুনিয়ার মোহ মায়া থেকে নিজেকে পরহেজ করতে হবে। একজন ঈমানদার ব্যক্তি কখনো দুনিয়ার পিছনে ছুটে না বরং দুনিয়াকে আখিরাতে কল্যাণ অর্জনের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করতঃ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে যায়। ক্ষণস্থায়ী এই ইহজগত মুমিন বান্দার জন্য মুসাফিরখানার মত, যেখানে অবস্থানের জন্য স্থায়ী চিন্তার সুযোগ নেই। বরঞ্চ আখিরাতের জিন্দেগীই হল আসল জিন্দেগী, যে জিন্দেগীর সফলতাই প্রকৃত সফলতা।
সম্পদশালী হওয়া মানেই দুনিয়াদারী নয়, বরং সম্পদের মায়ায় নিজেকে জড়িয়ে রাখাটা হচ্ছে দুনিয়াদারী। কাজেই আল্লাহ যদি কাউকে রিজিক প্রদান করে সম্পদশালী করেন তার সম্পর্কে বিনা যাচাইয়ে দুনিয়াদারীর অভিযোগ আনয়ন করাও সমচীন নয়।
রাসূলে পাক (সাঃ) চলাফেরায় মধ্যমপন্থা অবলম্বনের তাকীদ দিয়েছেন। এজন্য আমাদের মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতে অভ্যস্ত হতে হবে। আমাদের দুনিয়ার পথচলা হতে হবে সাদামাটা। চাকচিক্যময় ও দাম্ভিকতা নিয়ে দুনিয়ায় চলাফেরা করা অনুচিত। সুতরাং দুনিয়ার চাকচিক্যময় জীবনকে বর্জন করতে হবে।
২ জানুয়ারি শুক্রবার পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলাধীন পাংগাশিয়া নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসায় আয়োজিত ঈছালে ছাওয়াব মাহফিলে হযরত পীর ছাহেব কেবলা প্রধান অতিথির আলোচনায় একথা বলেন।
মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও গুরুযত্বপূর্ণ আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।


